Techno Header Top and Before feature image

পাওনা পরিশোধের আগেই ভেগেছে অ্যাকসেঞ্চার, কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চাকরিচ্যুত কর্মীদের পাওনা পরিশোধের আগেই অফিস বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেঞ্চার।

গত কয়েক মাস ধরে শ্রম মন্ত্রণালয় ও শ্রম পরিদপ্তরের প্রতিনিধিত্বে কর্মীদের সঙ্গে পাওনা নিয়ে সমঝোতা আলোচনা চলছিল অ্যাকসেঞ্চার কর্তৃপক্ষের। এর মধ্যেই সোমবার রাজধানীর গুলশানে নিলয় ম্যানশনে অবস্থিত বাংলাদেশ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।

কর্মীদের পাওনা পরিশোধের আগেই কার্যালয় বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাকসেঞ্চার বাংলাদেশের  সিইও রায়হান শামসি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কোম্পানিটির এইচআর প্রধান ফিরোজ সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও কিছু বলতে চাননি।

তারা এ ব্যাপারে অ্যাকসেঞ্চারের মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনের টিম লিড শবনম খানের সঙ্গে কথা বলতে বললেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

তালা ঝুলানোর পর সোমবার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করা শুরু করে কর্মীরা। মঙ্গলবার লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে এসে বুধবার হতে অনশন করার ঘোষণা দেয় তারা।

অ্যাকসেঞ্চার অ্যামপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ টেকশহরডটকমকে জানান, শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আমিনুল ইসলাম ও শ্রম অধিদপ্তরের শ্রম যুগ্ম পরিচালক এনামুল ইসলমের মধ্যস্থতায় কর্মীদের পাওনা নিয়ে সমঝোতার আলোচনা চলছিল। ১৫ নভেম্বর সম্পূর্ণ একতরফাভাবে মাত্র ৩০ মাসের বেসিক বেতন পরিশোধের ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ।

অ্যামপ্লয়িজ ইউনিয়নের এই নেতা জানান, কর্মীরা তাদের প্রাপ্য হিসেবে চাইছেন ৬০টি বেসিক বেতন। অ্যাকেসেঞ্চার দিতে চাইছে ৩০টি।

‘১৯ নভেম্বর দিবাগত রাত ১২টা হতে হঠাৎ করে অফিস বন্ধ ঘোষণা করে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। এই সময়ে কর্মীরা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পর্যন্ত গোছানোর সময় পায়নি। পাওনা নিয়ে সমঝোতা ও তা পরিশোধের আগেই কার্যালয় বন্ধ করা হলো।’

কোম্পানিটির ভারতীয় কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ছেড়েছেন আর স্থানীয় উধ্বর্তন কর্মকর্তারা কোনো দায়দায়িত্ব নিচ্ছেন না বলে জানান শাহীন আহমেদ।

কর্মীরা জানান, তাদের শুধু বলা হয়েছে নভেম্বরের ২৩ তারিখ হতে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ‘কোম্পানি নির্ধারিত’ পাওনা পরিশোধ করা হবে।
হঠাৎ করেই বাংলাদেশে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের ঘোষণার পর নভেম্বর হতেই চাকরি হারায় ৫৫৬ কর্মী।

এর মধ্যে গ্রামীণফোনের সঙ্গে নতুন চুক্তিবদ্ধ হওয়া আউটসোর্স কোম্পানি উইপ্রোতে ১৯০ জনকে নেয়া হয়েছে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

আরও পড়ুন