vivo Y16 Project

হ্যাকারদের টার্গেটে বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানও

টেক শহর কন্টেন্ট কাউন্সিলর : অর্থ হাতিয়ে নিতে হ্যাকারদের টার্গেটের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানও। দুটি শক্তিশালী এপিটি ল্যাজারাস ও কোবাল্টগবলিন ছাড়াও আরও কিছু দল এই সাইবার হামলায় থাকছে।

সম্প্রতি ক্যাস্পারেস্কি ল্যাবের সাইবার নিরাপত্তা গবেষকদের তথ্যে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, সাইবার অপরাধীরা এখন অর্থের জন্যই এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ব্যাঙ্কগুলোতে টার্গেট করেছে।

গবেষকদের প্রতিবেদনে উঠে আসে বিগত বছরে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি। এছাড়া ২০১৪ সালে সনি পিকচারর্সের হ্যাকের পেছনে ল্যাজারাস গ‌্রুপের হাত রয়েছে বলে এতে ধারণা করা হয়।

Techshohor Youtube

ক্যাস্পারেস্কি বলছে, সরকারি ব্যাংক ও সি অ্যান্ড সি সার্ভারে হামলা করায় এরা সিদ্ধহস্ত।

ইন্টারনেটের শুরু থেকেই আগে হ্যাকাররা নিরাপদ সার্ভার থেকে তথ্য চুরি করে আসছে। তবে এ পর্যন্ত এই কাজগুলো তারা অনেকাংশেই নিজেদের দক্ষতা জাহির করার জন্যই করেছে, সরাসরি ক্ষতি বা অর্থের জন্য নয়। এখন তাদের লক্ষ্য থাকছে অর্থ হাতিয়ে নেয়া।

 

যে সকল হ্যাকারদল বারবার এমন হামলা চালাচ্ছে তাদেরকে অ্যাডভান্স পারসিস্ট্যান্ট থ্রেট বা এপিটি বলে তারা অবহিত করেছেন তারা। এ সকল এপিটি এ পর্যন্ত বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনস, হংকং (চীন) ও ভিয়েতনামের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাফল্যের সাথে হামলা করেছে।

রাশিয়া, ইউক্রেন জার্মানি ও চীনের ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার হাতিয়ে নেয়ার জন্য ২০১৪ সালে গণমাধ্যমের হেডলাইনে স্থান করে নেয় ক্যাবারন্যাক গ‌্রুপ। ‘দ্যা গ্রেট ব্যাঙ্ক হাইস্ট’ নামে এই ব্যাপক হ্যাকের পেছনে ইমেইল, ভাইরাসযুক্ত ওয়ার্ড ফাইল ও অন্যান্য় হামলা দায়ী, যার মাধ্যমে গ‌্রুপটি ব্যাংকের কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

আর নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ার পর নিজেদের অ্যাকাউন্টে ও এটিএম থেকে অর্থ তুলে নিতে তাদের আর বেগ পেতে হয়নি। তবে সাইবার অপরাধীদের এমন হামলা কোনও একক ব্যক্তির পক্ষে করা সহজ নয়।  অতএব বড় কোম্পানি এমনকি কিছু দেশের সরকারও এর পেছনে থাকতে পারে বলে তারা আশংকা করছেন।

ক্যাস্পারেস্কির রিপোর্টে বলা হয়েছে, হ্যাকারদের সাফল্যের পেছনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমন হামলার ব্যাপারে অজ্ঞতাও অনেকাংশে দায়ী। এ ধরনের হামলার ব্যাপারে ক্যাসপারেস্কি ও অন্যান্য কোম্পানির থ্রেট ইন্টেলিজেন্স ডাটাবেইজ রয়েছে, যা ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে পারত।

ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা থেকে বাঁচতে বিভিন্ন রকম সাইবার সিকিউরিটির কথাও তুলে ধরা হয়েছে এতে।

ইকোনমিক টাইমস অবলম্বনে এস এম তাহমিদ

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project