Techno Header Top and Before feature image

অ্যাকসেঞ্চারে চাকরিচ্যুতি, পাওনা নিয়ে জিপিকেও দোষারোপ কর্মীদের

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : পাওনা নিয়ে বনিবনা না হওয়ার জন্য গ্রামীণফোনকেও দোষারোপ করছে সম্প্রতি চাকরি হারানো অ্যাকসেঞ্চার কর্মীরা।

মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকসেঞ্চার কর্মীরা অভিযোগ করেন, অ্যাকসেঞ্চার ও গ্রামীণফোন ম্যানেজমেন্টের একপেশে নীতি, দুরভীসন্ধিমূলক আচরণ পাওনা নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার কারণ।

দাবি পূরণে সাত দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে । এই সময়ে দাবি না মানা হলে ১ নভেম্বর অ্যাকসেঞ্চার ও ২ নভেম্বর গ্রামীণফোনের সামনে মানববন্ধন করবেন তারা। ৫ নভেম্বর হতে করবেন অনশন।

সম্মেলনে অ্যাকসেঞ্চার অ্যামপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ বলেন, গ্রামীণফোনে কেউ চাকরি ছাড়লে ভিআরএস পায়। নিয়মানুয়ায়ী ৭২টি বেসিক বেতন দেয়া হয়। অথচ অ্যাকসেঞ্চারের ৪৯ শতাংশ মালিক হয়েও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মীদের জন্য কিছু করছে না।

অ্যামপ্লয়িজ ইউনিয়নের এই নেতা জানান, কর্মীরা তাদের প্রাপ্য হিসেবে চাইছেন ৬০টি বেসিক বেতন। অ্যাকেসেঞ্চার দিতে চাইছে ৩০টি। এখানে অ্যাকসেঞ্চার-জিপি  দুই অংশীদারেরই হঠকারিতা রয়েছে। অ্যাকসেঞ্চার ও গ্রামীণফোনের এই স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ৬ দফা বৈঠকের পরও কর্মীদের পাওনা বিষয়ে সমাধানে আসা যায়নি।

আরো পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান অ্যাকসেঞ্চার কর্মীরা

শাহীন আহমেদ জানান , গ্রামীণফোন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মীদের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি তারা। এমনকি অ্যাকসেঞ্চারের সঙ্গে কর্মীদের সমঝোতার কোনো বৈঠকেও এই অংশীদার উপস্থিত থাকেনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, পাওনা নিয়ে অ্যাকসেঞ্চারের সঙ্গে বৈঠকে শ্রম মন্ত্রণালয় ও শ্রম পরিদপ্তরের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। অনেকক্ষেত্রে তাদের মতামতকেও গুরুত্ব দেয়নি অ্যাকসেঞ্চার ও গ্রামীণফোন।  সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ প্রথম এবং ১৭ অক্টোবর ৬ষ্ঠ বৈঠক হয়।

হঠাৎ করেই বাংলাদেশে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের ঘোষণার পর চলতি বছরের নভেম্বর হতেই চাকরি হারাচ্ছে ৫৫৬ কর্মী।

এর মধ্যে গ্রামীণফোনের সঙ্গে  নতুন চুক্তিবদ্ধ হওয়া আউটসোর্স কোম্পানি  উইপ্রোতে ১৯০ জনকে নেয়া হয়েছে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

আরও পড়ুন