সোয়া ১ লাখ রোহিঙ্গার বায়োমেট্টিক নিবন্ধন

rohinga-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধনে তেমন গতি নেই। গত এক মাসে মাত্র এক লাখ ১৭ হাজার ৫২৬ জনের নিবন্ধন হয়েছে।

অথচ এরই মধ্যে দেশে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা সোয়া পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে একযোগে ১০ ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্টিক নিবন্ধন শুরু হয়। তবে এক মাসে এক লাখের বেশি নিবন্ধনকে মোটেই কম বলছেন না সরকারের পাসপোর্ট বিভাগ। এ বিভাগই নিবন্ধনের কাজটি করছে।

mayanmar_Rohinga-Techshohor

 

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে চোখের মনির ছবি বা আইরিস এবং আঙ্গুলের ছাপসহ পরিচয় নিবন্ধনে একটি বিশেষ সফটওয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ সফটওয়্যার তৈরি করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ সফটওয়ার কোম্পানি টাইগার আইটি। নিবন্ধন কাজে তারাও পাসপোর্ট বিভাগের সঙ্গে কাজ করছে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রতিটি রোহিঙ্গার বায়োমেট্টিক নিবন্ধন করা হবে।

নিবন্ধিত রোহিঙ্গারা একটি করে পরিচয়পত্র পাচ্ছেন, যেখানে বারকোড যুক্ত থাকছে। পরে এটি রিলিফ দেওয়াসহ পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার মতো অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা করা হবে।

সফটওয়ারটির মাধ্যমে শরণার্থীদের ছবি, বয়স, নাম-ঠিকানা, বাবা-মায়ের নাম পরিচয়, জাতীয়তা, ধর্ম, দেশ, লিঙ্গসহ আরও বেশ কিছু তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। আর এসব তথ্য সংরক্ষণের জন্য সফটওয়্যারটি একটি সার্ভারে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টাইগার আইটির এক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ।

এদিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছে বায়োমেট্টিক পদ্ধতির এই নিবন্ধিত তথ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের কাছে মোবাইল ফোনের সিম বিক্রি করা যায়।

কিন্তু সরকার এখনও এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। তবে সকল অপারেটরের মোবাইল সিমই পাওয়া যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের হাতে হাতে।

যদিও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ বিষয়ে হুশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, রোহিঙ্গাদের হাতে মোবাইল সিম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

বিকল্প হিসেবে এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টেলিটকের অস্থায়ী কিছু বুথ চালু করা হয়েছে।

*

*

আরও পড়ুন