হোয়াটসঅ্যাপ ভাইবার আয় কমাচ্ছে বিটিআরসির

btrc_techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইসার, ইমো, ম্যাসেঞ্জারসহ সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য অ্যপ্লিকেশনের ব্যবহার যতো বাড়ছে, ততই টেলিকম খাত থেকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের রাজস্ব কমছে।

গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিটিআরসির কোষাগারে জমা পড়েছে তিন হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা, যা গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিন্ম। আগের বছরেও যা ছিল চার হাজার ২০৮ কোটি টাকা। মূলত টেলিফোন কল থেকে আয়ের অংশ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে এতে।

শুধু রাজস্ব ভাগাভাগির জায়গাতেই আগের বছরের তুলনায় গত অর্থবছরে ৯০৬ কোটি টাকা কমেছে। আগের বছরে যেখানে আয় ভাগাভাগি থেকে বিটিআরসি পেয়েছিল তিন হাজার ৩৬১ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সেটা নেমে এসেছে দুই হাজার ৪৫৫ কোটি টাকায়।

btrc_techshohor

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশেষ করে টেলিফোন কলের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলো। সে কারণে এই খাত থেকে বিটিআরসির আয়ের অংশ কমে গেছে।

বর্তমান নিয়মানুসারেও আন্তর্জাতিক ফোন কলের আয় থেকে ৪০ শতাংশ সরাসরি বিটিআরসির কোষাগারে জমা হয়।

অন্যদিকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থানীয় যোগাযোগেও বড় রকমের প্রভাব পড়ছে। যে কারণে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর আয় থেকে বিটিআরসি যে সাড়ে পাঁচ শতাংশ রাজস্ব আসতে, সেটিতেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে বলছেন, এক কর্মকর্তা।

তবে গত অর্থবছরে রবি ও এয়ারটেলের একীভূতিকরণ সম্পন্ন হওয়ায় এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বড় অংকের টাকা পেয়েছে। তারপরেও সংস্থাটি সরকারের দেওয়া চার হাজার ২০৬ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি।

এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিটিআরসির রাজস্বের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। আর সংস্থার ইতিহাসে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আয় হয়েছে ১০ হাজার ৮৫ কোটি টাকা। সেবার মূলত টুজি লাইসেন্স নবায়নের এক কিস্তির টাকা এবং থ্রিজি স্পেকট্রামের নিলামের কারণেই এতো বেশি আয় হয়েছিল।

*

*

আরও পড়ুন