Techno Header Top and Before feature image

পুরস্কার পাওয়া ১৬ উদ্যোগকে সহায়তা করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

NMAA_Techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাতীয় মোবাইল অ্যাপ প্রতিযোগিতায় ১৬টি উদ্যোগকে পুরস্কার দিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এই উদ্যোগগুলোকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে প্রধান অতিথি থেকে বিজয়ী ও রানার আপ দলকে পুরস্কারগুলো তুলে দেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৬টি মোবাইল অ্যাপগুলো হলো  গভর্নমেন্ট পার্টিসিপেশনে চ্যাম্পিয়ন ভ্যাট চেকার, রানার আপ প্রাইমারি স্কুল মনিটরিং অ্যাপ; নিউজ অ্যাপন্ড মিডিয়ায় ইয়ুথ অপরচুনেটিজ, হাউ আই ওয়ার্ক; বিনোদন লাইফস্টাইলে হিরোজ অব ৭১, ল্যান্ড নক; লার্নিং অ্যান্ড এডুকেশনে নিলীমার বায়োস্কোপ, ব্রেইন কুয়েশন; এনভাইরনমেন্ট অ্যান্ড হেলথে জলপাই, বেবিটিকা;ট্যুরিজম অ্যান্ড কালচারে নৌকা বাইচ, পথ দেখুন; ইনক্লুশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্টে কলরব, অটিজম বার্তা; বিজনেস অ্যান্ড কমার্সে ডেস্কো এবং শপ-আপ অ্যাপ যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ নির্বাচিত হয়েছে।

NMAA_Techshohor

এসব উদ্যোগের উদ্যোক্তাদের হাতে ক্রেস্ট, চ্যাম্পিয়নদের ২০ হাজার এবং রানার আপদের ১০ হাজার করে টাকা তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আজকের যারা জাতীয় মোবাইল অ্যাপ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলেন এটা খুব সামান্য আর্থিক পুরস্কার। তবে আমি কথা আশ্বস্ত করতে চাই, উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে দেশের হাইটেক পার্কগুলোতে আপনাদের এই স্টার্টআপগুলোকে বিনামূল্যে এক বছরের জন্য জায়গা দেওয়া হবে।

পলক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প, ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনরশিপ একাডেমি বা আইডিয়া ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকেও র্স্টার্টআপদের জন্য ২৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা এবং গ্রোথ স্টেইজে এক কোটি থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও অ্যাপগুলো বাণিজ্যিকভাবে ছাড়ার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি।

বর্তমানে বিশ্বে মোবাইল অ্যাপের আর্থিক বাজারের পরিমাণ ১৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জানিয়ে পলক বলেন, এই বাজার দখলে এখন সবার উপরে রয়েছে চীন, এরপর যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি, কোরিয়া। আমাদের দেশের জনসংখ্যা তাদের অনেক দেশের তুলনায় বেশি। আর আমাদের এই অ্যাপ থেকে আয় এখন মাত্র ১০০ মিলিয়ন ডলার। তাই তরুণদের উদ্ভাবনী অ্যাপ তৈরির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। যাতে খুব শিগগিরি আমরা বিলিয়ন ডলার আয়ের বাজারে প্রবেশ করতে পারি।

NMAA_TEAM-TECHSHOHOR

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে চালিকাশক্তি সামনে হবে তার অন্যতম হবে এই তথ্যপ্রযুক্তি। ফলে এর জন্য দেশের ভিতরে অনেক অ্যাপস লাগবে। একই সঙ্গে বিশ্ব বাজারেও লাগবে।

তিনি বলেন, শুধু হোয়াটসঅ্যাপ থেকে যে পরিমাণ আয় হচ্ছে তাতে আমাদের গার্মেন্ট সেক্টরে যে শ্রমিকরা কাজ করেন তাদের মোট আয়ের সমান। ফলে এমন আয়োজন থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মতো উদ্যোগ বেরিয়ে আসবে বলে আশা করি।

দেশের তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সম্পৃক্ত করে বিশ্বের বিলিয়ন ডলারের বাজারে প্রবেশের জন্য মোবাইলভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত করে উৎসাহ ও সহায়তা দিতে দ্বিতীয়বারের মতো এই আয়োজন হয়েছে।

আয়োজনটি সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ডের যৌথ উদ্যোগ ছিলো।  আর এতে জাতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড সামিট মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, সাহিত্যিক আনিসুল হক, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশিদ।

সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সহযোগী হিসেবে ছিলো গুগুল ডেভেলপার গ্রুপ সোনারগাঁও এবং জিডিজি বাংলা।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

আরও পড়ুন