জিপি-রবির অডিটের সময় আরও বাড়লো

GP-Robi-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিপুল অর্থ ফাঁকির বিষয় নিষ্পত্তিতে ছয় মাসের মধ্যে দুই মোবাইল অপারেটরের নিরীক্ষার কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে একটি অপারেটরের জন্য নির্ধারিত সময় দেড় বছর ও অপরটির এক বছর পেরিয়ে গেছে। এরপরও কাজ শেষ না হওয়ায় আবারও বাড়ছে গ্রামীণফোন ও রবির নিরীক্ষার সময়।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি বলছে, নানা জটিলতায় নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় নিরীক্ষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ছয় মাস সময় বাড়ানো হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, এবার শেষ বারের মতো সময় বাড়ানো হয়েছে। আগস্ট মাসের মধ্যে নিরীক্ষার কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

GP-Robi-techshohor

গ্রাহক ও আয়ের বিচারে শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের নিরীক্ষা (অডিট) করছে তোহা খান জামান অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস। ১৮০ দিনের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করার কথা থাকলেও তা হয়নি।

২০১৫ সালের অক্টোবরে বিটিআরসি এ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করেছিল। নানা জটিলতায় দফায় দফায় সময় বাড়ালেও তোহা খান জামান গ্রামীণফোনের অফিসে ঢুকতেই পারেনি।

এবার শেষ বারের মতো আরও ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এর আগে তৃতীয় মেয়াদের সময় ২২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়।

এর আগে ২০১১ সালে গ্রামীণফোনে এক নিরীক্ষা চালিয়ে তিন হাজার কোটি ফাঁকি দেয়া হয়েছে বলে দাবি করে বিটিআরসি। তখন অপারেটরটি উচ্চ আদালতে গেলে নিরীক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া যথাযথ হয়নি বলে তা বাতিলের নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

এরপর গত বছর বিটিআরসি নতুন করে নিরীক্ষা চালানোর কার্যক্রম হাতে নিলে গ্রামীণফোন আগের নিরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে জানতে চায়। তারা ওই নিরীক্ষার ফলাফল না জানানো পর্যন্ত নতুন নিরীক্ষা শুরু না করতে বিটিআরসিকে অনুরোধ করে।

২০১৫ সালের অক্টোবরে তোহা খান জামানের সঙ্গে নিরীক্ষার বিষয়ে চুক্তি হয় ৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকায়। এর মধ্যে বিটিআরসি ইতিমধ্যে প্রায় দুই কোটি টাকা পরিশোধ করেছে।

এর আগে গ্রামীণফোন এবং রবির আর্থিক ও কারিগরি নিরীক্ষা করতে বিটিআরসি সরকারের অনুমোদন নেয়।

রবির নিরীক্ষার জন্য চুক্তি হয় মসিহ মুহিত হক অ্যান্ড কোম্পানি এবং ভারতীয় নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান পিকেএফ শ্রীধর অ্যান্ড সান্থনাম এলএলপির সঙ্গে। ৭ কোটি ৮২ লাখ টাকার এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয় গত বছর মার্চে।

এখানেও ১৮০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করার চুক্তি ছিল। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

*

*

আরও পড়ুন