প্রোগ্রামিংয়ে নতুন প্রজন্ম গড়া হবে : পলক

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী করে তুলে এবং তাদের বিভিন্নভাবে প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশে ভবিষ্যতে প্রোগ্রামিং নির্ভর নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলা হবে বলে বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এজন্য দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরি করতে আগামী তিন বছরে দেশের স্কুল-কলেজগুলোতে আরও ১৫ হাজার কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের কথাও বলেন তিনি।

শুক্রবার রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাদের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব না তারা কি একটু হাত তুলবে? মাত্র কয়েকজন হাত তুলেছে। আর অন্যান্যদের স্কুলে আছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে  প্রতিটি স্কুল ও কলেজে কম্পিউটার ল্যাব করার। ইতোমধ্যে দুই হাজার একটি শেখ রাসেল কম্পিউটার কাম ল্যাংগুয়েজ ল্যাব স্থাপন করেছি। আমাদের পরিকল্পনা আগামী তিন বছরে নতুন করে আরও ১৫ হাজার ল্যাব স্কুল ও কলেজে স্থাপন করব।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ দেশের প্রতিটি প্রান্তের সবধরনের উদ্ভাবনী আইডিয়াকে আর্থিক সহায়তা করবে। এজন্য বিভাগ থেকে যে ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমি করা হয়েছে তার অধীনে তা ডেভেলপ করা হবে বলেও জানান পলক।

IMG_5346

এছাড়ও ভবিষ্যতে তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষদের দেশে কর্মসংস্থানের জন্য ২৮টি আইটি পার্ক করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। যেখানে  আগামী ১০ বছরে ২০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্বের সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতায় দুই ক্যাটাগরিতে মোট ১১০ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসানসহ অারও অনেকেই।

এর আগে তৃতীয়বারের মতো এই আয়োজন শুরু হয় নয় মার্চ থেকে। দেশের ১৬টি আঞ্চলিক ও তিনটি উপজেলায় আঞ্চলিক পর্বের আয়োজন শেষে ঢাকায় বসে জাতীয় পর্ব।

জাতীয় পর্বে দুটি ক্যাটাগরিতে ১২০০ শিক্ষার্থী নেন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রোগ্রামিং, কুইজ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিল।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনের সহযোগী ছিল বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এবং জাজিং প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে কোড মার্শাল।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

আরও পড়ুন