Header Top

আওয়ামী লীগ না হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ হতো না : জয়

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকলে ডিজিটাল বাংলাদেশ হতো না। আওয়ামী লীগ সরকার একটা পরিবার। আওয়ামী পরিবারের একটাই চিন্তা এই দেশের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় জয়’কে এ সংবর্ধনা দেয় আইসিটি পরিবার।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের নেতৃত্বে এই সংবর্ধনা আয়োজনে সম্মিলিতভাবে ছিল বেসিস, এটুআই, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, সিআরআই, ইয়ং বাংলা, সুচিন্তা ফাউন্ডেশন, বিসিএস, আইএসপিএবি, ই-ক্যাব, বাক্য,সিটিও ফোরাম,   বিআইজেএফ ও বোল্ড- যাদের আইসিটি পরিবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

joy.award.techshohor

সংবর্ধনা শেষে বক্তব্যে জয় বলেন, ‘এই স্বীকৃতি ও পুরস্কার পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। এটা আমার একার নয়। এটা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের। আট বছর আগে যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন প্রকাশ করি তখন তা বাস্তবায়ন করতে নেমে যায় আওয়ামী লীগ সরকারের সকল কর্মচারী, প্রত্যেক মন্ত্রী, সেক্রেটারি ও অফিসার লেভেল পর্যন্ত সবাই। তাঁরা এটা বাস্তবায়ন করতে হাতে নিয়ে নেয়।’

তিনি বলেন, ‘এই পুরস্কার কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কারণে। প্রথম আইসিটি মন্ত্রণালয় ছিল তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান কাজ করেছেন। তাঁর আগে বিভিন্ন পলিসি ও তার বাস্তবায়নে কাজ করেছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)। আর বর্তমানে আমাদের তরুণ মন্ত্রী, সবচেয়ে ইয়াং মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।’

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের সম্পূর্ণ আওয়ামী লীগ সরকারকে। সকলকে ধন্যবাদ যে, আপনাদের পরিচর্যার কারণে আমরা এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘এই ডিজিটাল বাংলাদেশের পরামর্শ দিয়েছি আমি, পরিকল্পনা করেছি আমি কিন্তু বাস্তবায়ন করেছেন আপনারা। যখন এই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা প্রকাশ করি তখন এটা কী জিনিস কেউ জানে না। অনেকে বলেছিল গ্রামের মানুষ তো কম্পিউটার কিনতে পারবে না, সেখানে ইন্টারনেট যাবে না। আমি বলেছি, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট আমি পৌঁছে দেবো।’

joy award

‘অনেকে বলেছিল, ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে শহরের মানুষ সবকিছু পাবে, সাধারণ মানুষ পাবে না। আমি বলেছিলাম, সকল মানুষ যেন ডিজিটাল বাংলাদেশে লাভবান হয় সেভাবে আমরা কাজ করি।’

‘অনেকে বলেছে, বিদুৎ, ব্রিজ ইত্যাদি উন্নয়নের জন্য অর্থের দরকার। আমরা অর্থ কই পাবো। আমি বলেছি, আমরা নিজেরা সব করবো।’

‘অনেকেই এসেছিল, এসেছিল বিশ্বব্যাংক যে, তারা অভিজ্ঞতা দিয়ে আমাদের কাজ করে দেবে। আমি বলেছি, আমরা করবো- আমাদের অভিজ্ঞ ও যোগ্য লোক আছে।’

‘আজ আমরা সবকিছু আমাদের নিজেদের অর্থে করেছি, নিজেদের পরিকল্পনা, নিজেদের পরিশ্রমে করেছি। দেশের বেশির ভাগ ডিজিটাইজেশন করেছে বাংলাদেশের কোম্পানি। এই বেসিস, বাক্য এরা। আমরা বিশ্বের মানুষকে করে দেখিয়ে দিয়েছি।’

জয় বলেন, ‘পৃথিবীর আর কোনো দেশ নেই যে, এত অল্প সময়ে কোনো দেশের অন্যের সাহা্য না নিয়ে নিজেরা এভাবে ডিজিটাল উন্নতি করেছে। এখন জাতিসংঘ আমাদের অভিজ্ঞতা চায়, অন্যান্য দেশ আমাদের পরামর্শ চায়।’

গত ১৯ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্নেন্স অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস, প্ল্যান ট্রিফিনিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাট স্টেটের নিউ হেভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস সম্মিলিতভাবে জয়কে এ সম্মাননা দেয় ।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কাছে ইউএন প্লাজা হোটেল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে হলিউডের অভিনেতা রবার্ট ডেভি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

আরও পড়ুন