সিলিকন ভ্যালির কর্মীদের বেতন কতো?

Google-office-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সিলিকন ভ্যালি, তথ্যপ্রযুক্তির পীঠস্থান হিসেবেই বিবেচিত। সারা বিশ্ব উম্মুক্ত হয়ে থাকে সিলিকন ভ্যালির দিকে। কারণ এখানেই অবস্থিত অ্যাপল, গুগল, ফেইসবুকের মতো শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। ক্ষুদ্র স্টার্টআপ থেকে শুরু করে মিলিয়ন ডলার, ক্রমান্বয়ে বিলিয়র ডলারের মালিক বনে গিয়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা। তবে শুধু মালিক নয়, এখানকার কর্মীদেরও মিলিয়নিয়ার হওয়ার গৌরব রয়েছে।

মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে স্থানটি ঘিরে পৃথিবীর তথ্যপ্রযুক্তি খাত আবর্তিত হয়, সেখানকার কর্মীদের বেতন কতো? এই প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে পেস্কেল।

Google-office-techshohor

সবাই যে মার্ক জুকারবার্গ নয় এটা যেমন ঠিক, তেমনিভাবে সিলিকন ভ্যালিতে কর্মরত অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেখে অনেক আমেরিকানই হিংসাবোধ করে সেটাও ঠিক।

সিলিকন ভ্যালির বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে প্রায় ১০ বছর কাজ করছে যাদেরকে “মিড-ক্যারিয়ার” হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাদের সবাইই প্রায় ১ লাখ ডলার করে বেতন পায়, যা গড়ে প্রতিটি আমেরিকার পরিবারের মোট আয়েরও দ্বিগুন। গুগল, ফেইবুকের মতো কোম্পানিগুলোতে মধ্য শ্রেণীর কর্মীরা ক্যারিয়ারের ৫ বছরের আগেই ৬ সংখ্যার বেতন পাচ্ছে।

পেস্কেলের জরিপ মতে, সিলিকন ভ্যালির তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে সবচেয়ে সেরা কোম্পানি হলো ফেইসবুক, যেখানে ৫ বছরের কম অভিজ্ঞতার কর্মীদেরকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ ডলার বেতন পর্যন্ত দেয়। ১০ বছরের অভিজ্ঞতার পর এটি লিংকডইনের চেয়েও বেশি বেতন দেয়। লিংকডইন বর্তমানে মধ্যম মানের কর্মীদের ১ লাখ ৫৯ হাজার ডলার বেতন দেয়।

এখানে বিভিন্ন কোম্পানিভেদে কর্মীদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বেতন তুলে ধরা হলো:

Salary-of-silikon-valley-tech-workers-TechShohor

তবে উচ্চ বেতন সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য রয়েছে। প্রথমত সামুদ্রিক উপকূলে বসবাস খুবই ব্যয়বহুল। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এগুলো বুঝে। আর সে কারণেই তারা উচ্চ বেতনে চাকরি প্রদাণ করে। তাই বলে প্রযুক্তি কোম্পানিতে কর্মীরা ভালোমানের নয় এমন নয়। দ্বিতীয়ত, এসব কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগ কর্মী সাবকন্ট্রাকর হিসেবে কাজ করে থাকে।

হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে ফারজানা মাহমুদ পপি

*

*

আরও পড়ুন