vivo Y16 Project

স্বল্প দামে নকিয়ার আকর্ষণীয় ফ্যাব লুমিয়া ১৩২০

Nokia-Lumia-1320-TechShohor

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট থ্রি বা এইচটিসি ওয়ান ম্যাক্স- যে কোনটির প্রতিদ্বন্দ্বী বলা যায় নোকিয়ার লুমিয়া ১৩২০। লুমিয়া সিরিজের দ্বিতীয় ফ্যাবলেট এটি। প্রথমটি লুমিয়া ১৫২০, দাম ও কনফিগারেশনের দিক দিয়ে এটি নতুনটির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। তাই ১৩২০-কে এর বাজেট সংস্করণও বলা যেতে পারে।

ডিজাইন
লুমিয়া সিরিজের সিগনেচার ডিজাইনেই এটি তৈরি করা হয়েছে। একই ধরনের স্লিম ও মসৃণ গড়ন। হলুদ, সাদা, কালো ও লাল রঙ থেকে যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আকারে গ্যালাক্সি নোট থ্রির চেয়েও এটি বড়, কিন্তু মাত্র ৯.৮ মিলিমিটার পুরু ও ২২০ গ্রাম ওজনের হওয়ায় তেমন বেঢপ মনে হবে না। তবে ফিনিশিং লুমিয়া ১৫২০ বা ৯২০ এর মত উন্নত নয়।

Nokia-Lumia-1320-TechShohor

Techshohor Youtube

ডিসপ্লে
৬ ইঞ্চির স্ক্রিনের ফোন ফুল এইচডি না হলে ডিসপ্লে কিছুটা আকর্ষণ হারাতে পারে। তাই হয়েছে ১৩২০ এর ক্ষেত্রে। অবশ্য ১২৮০*৭২০ পিক্সেলকে খারাপও বলা যায় না। তবে স্ক্রিনের উপর গোরিলা গ্লাস থ্রির প্রলেপ আছে। নোকিয়ার ক্লিয়ার ব্ল্যাক প্রযুক্তির ফলে কালারগুলো চমৎকার ফুটে উঠবে। তারপরও প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্যাবগুলোর সাথে তুলনা করলে হতাশ হতে হবে।

ক্যামেরা
লুমিয়া সিরিজের বেশিরভাগ ফোনেই ক্যামেরা ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। কিন্তু এদিক দিয়েও পিছিয়ে লুমিয়া ১৩২০। ১৫২০-এ যেখানে ২০ মেগাপিক্সেল পিওরভিউ ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছিল, সেখানে এতে আছে ৫ মেগাপিক্সেলের সাধারণ ক্যামেরা। ছবির মানও তাই সাধারণ উঠবে। সামনে একটি ভিজিএ ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।

কানেক্টিভিটি
ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই, ওয়াই-ফাই হটস্পট, জিপিএস, মাইক্রোইউএসবিসহ সব কানেক্টিভিটি সুবিধা এতে রয়েছে। রয়েছে অ্যাক্সেলোমিটার, প্রক্সিমিটি সেন্সর, এফএম রেডিও ও কম্পাস।

কনফিগারেশন
ডিভাইসটির চিপসেট কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এসফোর, প্রসেসর ডুয়াল কোর। র্যাওম ১ গিগাবাইট। আপাতদৃষ্টিতে একে কিছুটা দুর্বল মনে হলেও উইন্ডোজ ফোন মসৃণ গতিতে চলতে কোনো সমস্যা হবে না। মাল্টিটাস্কিং, ব্রাউজিং যথেষ্ট ফাস্ট এবং বেশিরভাগ অ্যাপ সর্বোচ্চ পারফর্ম্যান্সে চলবে।

ব্যাটারি
এর ভেতর রয়েছে নন-রিমুভেবল ৩৪০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা নোট থ্রির চেয়েও বেশি। ফলে এর টকটাইম প্রায় ২৫ ঘণ্টা। স্বাভাবিকভাবেই ব্যাটারি পারফর্ম্যান্স খুবই সন্তোষজনক।

খুব শিগগির এটি বাংলাদেশের বাজারে আসতে পারে। দাম ৩০ হাজার টাকার মতো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক নজরে ভালো
– দেখতে আকর্ষণীয়, দাম কম
– পারফর্ম্যান্স ও ব্যাটারি লাইফ সন্তোষজনক

এক নজরে খারাপ
– ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল মাত্র
– ডিসপ্লে ফুল এইচডি নয়

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project