জিপিপিসির নেতৃত্বে আবারও জিপিইইউ প্যানেল

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রামীণফোন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের গঠন করা সংগঠন গ্রামীণফোন পিপলস কাউন্সিলের (জিপিপিসি) নেতৃত্বে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (জিপিইইউ) মনোনীত প্রার্থীরা।

জিপিপিসির ১৭ টি কাউন্সিলর পদের সবকটিতে বিজয়ী হয় জিপিইইউ প্যানেল। ২৬ মে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলো ৩৭ জন।

জিপিইইউ প্যানেলের ১৭ বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন কমার্শিয়াল বিভাগের ছয়, টেকনোলজি বিভাগের চার, নারী প্রতিনিধি হিসেবে দুই ও অন্যান্য বিভাগের পাঁচজন কর্মী ।

সোমবার বিজয়ীদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মিয়া মো. শফিকুর রহমান মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত কুমার দাস। কমিটিতে বাকী ১৫ সদস্য থাকছেন কাউন্সিলর হিসেবে।

২০১৫-১৭ মেয়াদের এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৯৬৮ জন কর্মী।

GPPC

এরআগে ২০১৩ সালেও জিপিপিসির নির্বাচনে পূর্ণ প্যানেলে জয় পায় জিপিইইউ। সেবার মোট ৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলো।

নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান মিয়া মো. শফিকুর রহমান মাসুদ টেকশহরডটকমকে জানান, কর্মীদের অধিকার ও প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদী সুফলে অতীতের মতো এখনও কাজ করে যাবে।

তবে কার্যকর উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃত সংগঠন হলে অবদান রাখার পরিসর আরো বড় হয় উল্লেখ করে মাসুদ বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো এই নির্বাচন আবারও সেই বার্তাই দেয় যে জিপিইইউয়ের প্রতি সকলের আস্থা রয়েছে। জিপিইইউয়ের নিবন্ধনের বিষয়ে আমরা আশাবাদী।

নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সুব্রত কুমার দাস টেকশহরডটকমকে জানান, কর্মীরা জিপিইইউয়ের প্রতি আস্থা রেখেছেন। আমরা সকল ন্যায়সঙ্গত দাবি ও অধিকারের বিষয়ে লড়ে যাবো।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে জিপিইইউ গঠনের পর জিপির সেই সময়ের প্রধান নির্বাহী টোরে জনসন পাল্টা সংগঠন হিসেবে জিপিপিসি গঠন করেন। এরপর কর্মী অসন্তোষে ২০১৩ সালের ১৬ মে জিপিপিসির নির্বাচন দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই নির্বাচনে পূর্ণ প্যানেল নিয়ে নেতৃত্বে চলে আসে জিপিইইউ।

এদিকে, ২০১২ সাল থেকে জিপিইইউ নিজেদের নিবন্ধনের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নানা জটিলতা শেষে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

আরও পড়ুন