কম দামের স্মার্টফোন কেনার আগে জেনে নিন

মোবাইল হ্যান্ডসেট

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  স্মার্টফোনের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে কম দামের বা স্বল্প বাজেটের ফোনের চাহিদাও বাড়ছে। একই সঙ্গে বাজারে মিলছেও নানান ব্র্যান্ডের সস্তা স্মার্টফোন। বলা চলে বাজার দখল করে রেখেছে এসব ফোন। কিন্তু সস্তার দুরবস্থাও রয়েছে। এটাও মাথায় রাখতে হবে।

অনেকে টাকা বাঁচাতে বা বাজেট কম থাকায় স্বল্প দামের এসব স্মার্টফোন কিনতে আগ্রহী হন। কিন্তু সস্তার সব ফোন ভালো নাও হতে পারে। কেননা কেনার কয়েক মাসের মধ্যে সেটি নষ্টও হয়ে যেতে পারে। কিংবা অন্য কোনো বিভ্রাট দেখা দিতে পারে। তখন বিপাকে পড়তে হয়।

তাই স্বল্প মূল্যের স্মার্টফোন কেনার আগে কয়েকটি কৌশল বা বিষয় জানা দরকার। জরুরি এসব বিষয়ই তুলে ধরা হলো এ টিউটোরিয়ালে।

মোবাইল হ্যান্ডসেট

স্বল্প দামের স্মার্টফোনগুলোর ফিচার দেখে লোভনীয় মনে হতে পারে। ফলে ফিচার দেখে অনেক ব্যবহারকারী ভুলে যায় স্মার্টফোনটির র‍্যাম বা ইন্টারনাল মেমোরির কথা।

বেশিরভাগ কমদামি ফোনের র‍্যাম ৫১৫ মেগাবাইট এবং ইন্টারনাল মেমোরি ৪ গিগাবাইট। তবে স্টোরেজ সুবিধার জন্য ব্যবহার করা যাবে মাত্র ২ গিগাবাইট।

বাজেট স্মার্টফোন মানেই দামের সঙ্গে প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও আপোস করতে হবে। সাধারণত পার্থক্যটা চোখে পড়ে স্ক্রিন রেজুলেশন, প্রসেসর টাইপ ও স্পিড, র‌্যাম, ক্যামেরার গুণগত মান এবং ব্যাটারি ব্যাক-আপে।তাই ফোন কেনার সময় এগুলোর দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে। আর কনফিগারেশনে যা লেখা থাকে অনেকংশ তা ফোনটির সঙ্গে নাও মিলতে পারে।

স্বস্তা অনেক ফোনে ডিরেক্ট ওয়াইফাই ও ব্লু-টুথের নতুন ভার্সন ৪.০ পাওয়া যায় না। তাই এ ধরনের স্মার্টফোন কেনার সময় ফিচারগুলো ভালো করে দেখে নেওয়া উচিত।

স্বল্প দামের স্মার্টফোনে সাধারণত প্রাথমিক বা এন্ট্রি লেভেলের হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়। তাই প্রথমেই তা খতিয়ে দেখে নিতে হবে। প্রসেসর, র‌্যাম ও মেমরি কার্ড নষ্ট হলে তা পাল্টানো কিংবা এগুলো যোগ করে ক্ষমতা বাড়ানোর সুবিধা আছে কি-না তা দেখে নিতে হবে।

এ ছাড়াও ডিসপ্লে সাইজ, রেজুলেশন, কানেক্টিভিটি অপশন, ব্যাটারির ক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত হওয়া উচিত।

স্মার্টফোন কেনার আগে সব সময় অপারেটিং সিস্টেমের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেমে আপডেট করা যাবে কি-না তা খেয়াল রাখতে হবে।

একই সঙ্গে প্রি-ইনস্টল অ্যাপ বা থার্ড পার্টি অ্যাপ ফোনের মধ্যে থাকে। এগুলো অযথা জায়গা দখল করে থাকে। অনেক সময় এগুলো আনইনস্টল করলেই ফোনের ওপর প্রভাব পড়ে। তাই এ বিষয়টিও কেনার আগেই খতিয়ে দেখে নেওয়া উচিত।

গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা হলো ওয়ারেন্টি। বেশিরভাগ স্মার্টফোনেই ওয়ারেন্টি থাকে এক বছরের। এটি নিশ্চিত হতে হবে।

একই সঙ্গে কাছাকাছি সার্ভিস সেন্টারের খোঁজ নিতে হবে। কেননা কাছাকাছি সেন্টার না থাকলে সেবা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই সার্ভিস সেন্টার কোথায় আছে তা খোঁজ নিয়ে স্মার্টফোন কেনা উচিত।

আরও পড়ুন

*

*

আরও পড়ুন