Techno Header Top and Before feature image

এসিএম-আইসিপিসির বাংলাদেশি ফাইনালিস্টদের সম্মাননা দিচ্ছে সরকার

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর এসিএম-আইসিপিসির ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রোগ্রামাদের সম্মাননা দিচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

প্রথম অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে সর্বশেষ ২০১৫ সাল পর্যন্ত ফাইনালে অংশ নেয়া সকল প্রতিযোগীকে শুধু নয়, দলগুলোর কোচদেরও এ সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। সম্মাননা স্মারক হিসেবে সবাইকে দেয়া হবে ক্রেস্ট।

এছাড়া ২০১৫ সালে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে উৎসাহ পুরস্কারও দিচ্ছে সরকার।

অন্যদিকে জুলাইয়ের ২৬ তারিখ থেকে  কাজাখাস্তানে অনুষ্ঠিতব্য স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড অব ইনফরমেটিকসের ২৭তম আসরের (আইওআই) ফাইনালে অংশগ্রহণকারী দলকেও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতাসহ ৫ লাখ টাকা দেবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে শুক্রবার এ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি থাকছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তথ্যপ্রযুক্তি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বের এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এবং ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারি সচিব ও এই সম্মাননা কার্যক্রমের সমন্বয়ক আরএইচএম আলাওল কবির টেকশহরডটকমকে জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশের মেধাবী প্রোগ্রামারদের এই স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন।

এখন থেকে প্রতিবছর এই সম্মাননা দেয়ার প্রচলন থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি স্বীকৃতি ও সম্মাননা আমাদের প্রোগ্রামারদের দারুণ উৎসাহ যোগাবে।

আরও পড়ুন: এসিএম-আইসিপিসির ওয়ার্ল্ড ফাইনালে শাবিপ্রবি

acm

১৯৯৮ সালের বুয়েটের দল বেঙ্গল টাইগারস ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এনএসইউ ড্রিম এসিএম-আইসিপিসিতে বাংলাদেশের প্রথম ফাইনালিস্ট।

এরপর ১৯৯৯ সালে বুয়েটের দ্যা বেলুন কাউন্টারস, ২০০০ এ বুয়েট ব্যাকট্রাকারস, ২০০১ সালে বুয়েট লুপারস, ২০০২ এ বুয়েট একারমানস ও এআইইউবির এআইইউবি-এ।

২০০৩ সালে বুয়েট লুপারস, ২০০৪ এ বুয়েট ফনিক্স, ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাইফিনডর ও বুয়েটের বুয়েট এক্সিড, ২০০৭ এ বুয়েট এক্সিড।

২০০৮ সালে বুয়েট স্প্রিন্টার ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ইডব্লিউইউ টুইলাইট, ২০০৯ সালে বুয়েট ফ্যালকন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিইউ ডার্ক  নাইটস এবং  নর্থ সাউথ বিশ্ববিদালয়ের দল এনএসইউ আর্কটোরুস, ২০১০ সালে বুয়েট র‌্যান্ড এপলিক্টিপ, ২০১১ এ বুয়েট এনিহিলেটর।

২০১২ তে বুয়েট দল ও শাহজালাল ইউনিভার্সিটির সাস্ট পেলিনড্রোম, ২০১৩ এ বুয়েট চোকার ও শাহজালাল ইউনিভার্সিটির সাস্ট পেলিনড্রোম, ২০১৪ বুয়েট ম্যাক্স প্লাস সেভেন ও শাহজালালের সাস্ট আত্মপ্রত্যয়ী ।

২০১৫ সালে শাহজালাল ইউনিভার্সিটির সাস্ট ডাউন টু দ্যা ওয়্যার এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জেইউ অ্যাসাসিনস ।

আরও পড়ুন:

*

*

আরও পড়ুন