প্রতিষ্ঠানের ৮০ শতাংশ খরচ কমাতে পারে প্রযুক্তি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দাপ্তরিক কাজে ম্যানুয়াল পদ্ধতির দিন ফুরিয়েছে। এখন সবকিছুই ডিজিটাল। প্রযুক্তি ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান তো দূরে থাক, ব্যক্তি জীবনও চলে না।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ে সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ ও ইনফোকমের আয়োজনে অনুষ্ঠিত টেক সামিটে ‘লিভারাজিং আইটি ফর ভ্যালু ক্রিয়েশন’ নামের এক সেমিনারে এসব কথা উঠে আসলো বক্তাদের আলোচনায়।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন নেপাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সিআইও বিজেন্দ্রা সুয়াল, আইটিসি ইনফোটেক ইন্ডিয়ার আইটি সার্ভিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট পার্থ সেনগুপ্ত, শ্রীলংকা ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশনের আইসিটি জেনারেল ম্যানেজার আজিত উইজয়াসুন্দরা, গুডরিকস গ্রুপের আইটি প্রধান সুবাশিষ ঘোষ, এটুআইয়ের ইনোভেশন স্পেশালিস্ট ফরহাদ জাহিদ শেখ এবং ডিএমএস টেকনোলজিস বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সাইফুল ইসলাম।

syber atrack

 

সেমিনারে বিজেন্দ্রা সুয়াল বলেন, ব্যাংকসহ সকল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানই তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া অচল। এটি অপারেটিং খরচ অর্ধেকের নামিয়ে নিয়ে আসে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা ঘরে বসেই তাদের সমস্ত লেনদেন করতে পারেন।

তিনি আরও জানান, তথ্য প্রযুক্তির প্রতি নির্ভরশীলতা বাড়ার কারণে নেপালের ৩০ ব্যাংকের ৮০ শতাংশ কাজ পেপারলেস হয়ে গেছে যা আগের তুলনায় ৮০ শতাংশ খরচ কমিয়ে দিয়েছে।

আজিত উইজয়াসুন্দরা বলেন, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির আগে ৩ হাজার জন কর্মীর একটি প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর চার হাজার রুপি খরচ হতো। কিন্তু বর্তমানে এই খরচ ৮০ শতাংশ কমে গেছে। মোবাইল প্রযুক্তি প্রসারের কারণে মানুষের জীবন সহজ হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা, পেমেন্ট সার্ভিস, ব্যাংকিং, ইনস্যুরেন্স সেবাও মোবাইলের মাধ্যমেই করা যাচ্ছে।

তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার কারণে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষেত্র। হয়রানি কমাতে সরকারী সেবাসমূহে যুক্ত হয়েছে ডিজিটালাইজেশন। এই অভিমত দিয়ে এটুআইয়ের ইনোভেশন স্পেশালিস্ট ফরহাদ জাহিদ শেখ বলেন, রোড ম্যাপিং ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে এটুআই যাত্রা শুরু করে। এরপর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সরকারী ওয়েবসাইট তৈরি করেছে যাতে ৪২ হাজার অফিস সাইট রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হয়েছে ইউনিয়ন তথ্য সেবাকেন্দ্র যাতে প্রায় ১০ হাজার উদ্যোক্তার কর্মসংস্থান হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ প্রায় ৩০ রকমের সেবা পাচ্ছে।

*

*

আরও পড়ুন