প্রযুক্তি পণ্যের খরচ কমানোর উপায়

Evaly in News page (Banner-2)

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বর্তমান সময়ে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, প্রিন্টার, স্ক্যানার, স্মার্টফোন ছাড়া জীবনই কল্পনা করা যায় না। কিন্তু এসব পণ্যের দামটা এখনো ক্ষেত্র বিশেষে আকাশ ছোঁয়া। তাছাড়া দিন পরিবর্তনের সাথে সাথে ডিভাইসগুলোর নতুন নতুন সংস্করণ এসে থাকে। এতেও বিভিন্ন সময় দফায় দফায় পকেট কাটা যায়। তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে এসব পণ্যের পেছনে ব্যয়িত খরচটা বহুলাংশে কমানো যেতে পারে।

এই টিউটোরিয়ালে তুলে ধরা হলো ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটস ও আনুষঙ্গিক পণ্যের খরচ বাঁচানোর কিছু উপায়-

নতুন ডিভাইসের দিকে সবারই আগ্রহ থাকে বেশি। বাজারে নতুন কোনো পণ্য এলে পড়িমরি করে সেটা বগলদাবা করে থাকেন অনেকেই। এক্ষেত্রে পুরনো ডিভাইসটি ক্লাসিফাইড সাইটগুলোর মাধ্যমে ঘরে বসেই বিক্রি করে দেয়া যেতে পারে। এতে হাতে নগদ কিছু টাকা আসে যা চাইলে নতুন ডিভাইস কেনার আর্থিক চাপটা কমাতে পারে।

261

বর্তমানে অফিস ছাড়াও বিভিন্ন বাসায় প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রিন্টার কেনার আগে এতে কি পরিমাণ কালি খরচ হতে পারে তা জেনে নেয়াটা জরুরি। কেনার সময় সব সময় কালি সাশ্রয়ী প্রিন্টার কেনা উচিত। এতে খরচ কিছুটা হলেও কমে যাবে।

নিত্য ব্যবহৃত গ্যাজটগুলো বিদ্যুৎ নির্ভর হয়ে থাকে। তাই ডিভাইসগুলোর কাজ শেষ হলে প্লাগ খুলে রাখতে হবে। এতে করে বিদ্যুতের অপচয় কিছুটা হলেও কমবে। মাস শেষে বিলও কম আসবে।

গ্যাজেট কেনার সময় অনেকে দরদাম পছন্দ করেন না। তবে দরদাম করে পণ্য কিনলে টাকা সাশ্রয় করা যায়। এছাড়া, অনেক সময় মূল্যছাড়সহ নানা অফার দিয়ে থাকে ইলেক্ট্রনিকস শপগুলো। এই খোঁজ-খবরগুলো রাখতে হবে।

‘ইন-অ্যাপ-পারচেজ’ অ্যাপ্লিকেশনে ভুলক্রমে ক্লিক করে অনেক গেইমসগুলোতে ‘কয়েন’, ‘জেমস’ ইত্যাদি কিনে কয়েক’শ ডলার পর্যন্ত খরচ করার ঘটনা প্রায়শই ঘটিয়ে থাকে বাচ্চারা। এক্ষেত্রে বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন দিলে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

*

*

আরও পড়ুন