Header Top

বৃহত্তম হ্যাকাথনে ১৬৭৫ প্রোগ্রামারের অ্যাপস তৈরির লড়াই শুরু

hackathon-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কোডিং যুদ্ধে নেমে পড়েছেন এক হাজার ৬৭৫ জন প্রোগ্রামার। মোবাইল ডিভাইসের জন্য ১০ জাতীয় সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজতে শনিবার তারা কাজ শুরু করেছেন। এক নাগাড়ে ৩৬ ঘন্টা কাজ করবেন তারা।

রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে শুরু হয়েছে সরকার আয়োজিত দেশের বৃহত্তম জাতীয় এ হ্যাকাথন।

এর উদ্বোধনকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একে বিশ্বের বৃহত্তম হ্যাকাথন বলে আখ্যায়িত করেছেন।

hackathon-techshohor

এবারের আয়োজনে সাম্প্রতিক ও দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ ১০ সমস্যার সমাধান মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে হাতের মুঠোয় আনার উপায় খুঁজে বের করবেন দেশের তুখোড় সব প্রোগ্রামাররা। আর কার উদ্ভাবন কত নিখুঁত ও ইনোভেটিভ তাই নিয়ে চলবে প্রতিযোগিতা।

এসব সমস্যা হলো প্রশ্নফাস, যৌণ হয়রানি, দুর্নীতি, যানজট, সড়ক নিরাপত্তা, স্যানিটেশন, সাইক্লোন সেন্টার ব্যবস্থাপনা, বলা যায় না এমন রোগ, নৌযান নিরাপত্তা এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য।

বিশ্বজুড়ে হ্যাকাথন ম্যারাথন কোডিং ইভেন্ট হিসেবে স্বীকৃত। হ্যাকাথনে ডেভেলপারদের দক্ষতার চূড়ান্ত প্রদর্শনী হয়।

এ হ্যাকাথনে কোডিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সলিউশনের প্রোটোটাইপ (নমুনা সমাধান) করবেন।

অংশগ্রহণকারী ২৮৮ দলের মধ্যে সেরা দল পাবে ২০ লাখ টাকা। আর শীর্ষ ১০ দল পাবে ২ লাখ টাকা করে পুরস্কার। এতে ৫৯টি প্রতিষ্ঠানও লড়ছে।

হ্যাকাথনে প্রতি দলে ৫ জন করে সদস্য রয়েছেন। প্রতিটি দলের জন্য মেন্টর ও ডোমেইন এক্সপার্ট হিসেবে দুজন গাইড থাকবেন। অন্যদিকে ৩০ জন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রতিযোগিতার মূল্যায়নের দায়িত্বে থাকবেন।

পোগ্রামাররা সকাল না হতেই নিজেদের দল নিয়ে হাজির হয়েছেন হ্যাকাথন স্থলে। তাদের পরামর্শ দিতে থাকবে অভিজ্ঞ প্রোগ্রামার, ডিজাইনার ও ডেভলপারদের পরামর্শক দলও।

hackathon-techshohor

পোগ্রামারদের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উদ্বোধনী বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, এতদনি সবাই সমস্যার কথা বেশি বললেও সেভাবে সমাধানের কথা বলেননি। তাই তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব জাতীয় সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায় তার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

পলক বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে পরিপূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রবির সিইও সুপুন বীরাসিংহে। অধ্যাপক জাফর ইকবালের ভিডিও বক্তব্য দেখানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিডি অ্যাপস ডটকম নামে একটি অ্যাপস বিষয়ক ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারি সচিব ও এ কর্মসূচীর ডেপুটি ডিরেক্টর আরএইচএম আলাওল কবির টেকশহরডটকমকে জানান, রোববার রাত ৮ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ৩৬ ঘন্টা এই হ্যাকাথন চলবে।

এ কর্মকর্তা জানান, অংশগ্রহণকারী প্রোগ্রামারদের জন্য প্রতিযোগিতার টেকনিক্যাল সাপোর্টসহ থাকা, রিফ্রেশমেন্ট, খাবারের সব ব্যবস্থা রয়েছে।

hackathon-techshohor

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের যে কোন প্ল্যাটফর্মে (অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, ফায়ারফক্স ওএস) প্রতিযোগিরা তাদের আইডিয়া জেনারেশনের সুযোগ পাবেন।

জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি হিসাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এই হ্যাকাথনের আয়োজক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি’র প্রকল্প পরিচালক মীনা মাসুদ।

এ আয়োজন বাস্তবায়ন করবে মোবাইল অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমসিসি ও ইএটিএল। সহযোগিতায় রয়েছে গুগল ডেভেলপার গ্রুপ, নকিয়া, রবি, গ্রামীণফোন, টেলিটক, কিউবি, সিম্ফনি, উইন্ডোজ, বেসিস এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্ট্রিটিউট।

ফখরুদ্দিন মেহেদী

আরও পড়ুন:

*

*

আরও পড়ুন