রকমারি ডটকমে ঢাকা পড়েছে অন্যরকমের সব আলো

ছোট বেলা থেকে একটু অন্যরকম চিন্তা করতেন বলে সফল এই উদোক্তা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেছেন  ‘অন্যরকম গ্রুপ’। ‘অন্যরকম বাংলাদেশ’ নির্মাণের প্রত্যয়ে এক বন্ধুকে নিয়ে শুরু হয়েছিল যেটির যাত্রা। জানাচ্ছেন ফখরুদ্দিন মেহেদী।

দেশের ই-কমার্সে এখন পরিচিত নাম রকমারি ডটকম। অন্যরকম গ্রুপের অনেকগুলো উদ্যোগের একটি এটি। অথচ এ উদ্যোগের শুরুটা হয়েছিল কোচিং থেকে। অন্য অনেকের মতে একটি মাত্র সফলতাতে সন্তুষ্ট থাকেননি প্রকৌশলের ছাত্র মাহমুদুল হাসান সোহাগ। তাইতো এখন তিনি তরুন উদ্যোক্তাদের কাছে মডেল

নতুন কিছু করার প্রচেষ্টা থেকেই একে একে হাতে নিয়েছেন বিভিন্ন উদ্যোগ। সফলতাও এসেছে এক পর্যায়ে। আর এগুলোর বেশিরভাগই তথ্যপ্রযুক্তি খাতের।

দেশের সেরা বিদ্যাপীঠ বুয়েটে ভর্তির পর ক্লাস শুরু হয় ১০ মাস পর। তখন মাত্র ৬ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ২০০০ সালে উদ্ভাস কোচিং সেন্টার দিয়ে উদ্যোক্তা জীবন শুরু করেন সোহাগ।

আরো পড়ুনঃ ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের নিয়ে ই-ক্যাবের আত্মপ্রকাশ

14_115616

এ কাজে তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধু মুহাম্মদ আবুল হাসান লিটন। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দুজনে মিলে ৭টি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন।

জামালপুরের দুর্দান্ত মেধাবী ছেলেটি এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় যথাক্রমে পঞ্চম এবং চতুর্থ হয়েছিলেন। দেশে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) তৈরির অন্যতম এ কারিগর উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যাবার সুযোগ পেলেও কেবল দেশের জন্য কিছু করার প্রেরণা থেকেই তা গ্রহণ করেননি।

ছাত্রাবস্থায় বুয়েট আইআইসিটিতে রিসার্চ অ্যাসিসটেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। পড়াশোনা শেষে রিসার্চ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সেখানে যোগদানও করেন। কিন্তু নিজে কিছু করার তাড়নায় চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে উদ্যোক্তা পরিচয়টাকেই বেছে নেন।

অনেকখানি অন্যরকম
‘অন্যরকম বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে’ শুরু করে এখন “অন্যরকমের” প্রতিষ্ঠানসংখ্যা সাতটি। তরুন এ উদ্যোক্তা জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের আঙ্গিক বা পরিধি ভিন্ন হলেও ভিশন একই। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্যোক্তা তৈরিতে অবদান রাখতে চান তিনি।

অন্যরকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে : পাই ল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেড, অন্যরকম সফটওয়্যার লিমিটেড, অন্যরকম সল্যুশনস লিমিটেড, অন্যরকম ওয়েব সার্ভিসেস লিমিটেড (রকমারি ডটকম), অন্যরকম ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি লিমিটেড, টেকশপ বাংলাদেশ লিমিটেড এবং উদ্ভাস।

3453_10151249970378914_343937510_n

যেভাবে শুরু
ছয় বছর বিনা মুনাফায় উদ্ভাস কোচিং চালানোর মতো পাগলামির অভিজ্ঞতা আছে সোহাগের। কিন্তু বসে ছিলেন না বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার সুবাদে প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজেই বেশি সময় কাটতো তার। পরে মাসুম হাবিব এবং রাজিব মিকাইল নামের দুই বন্ধুকে নিয়ে থার্ড ইয়ারেই যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত “বেল ল্যাবস” কে আইকন ধরে শুরু করেন ‘পাইল্যাবস’।

প্রথমে বুয়েটের হলে তার রুমটিকে অফিস বানালেও পরে ২০০৬ সালে অফিস নেন পল্টনে। পরে বন্ধুদ্বয় উচ্চ শিক্ষা নিতে বিদেশ পাড়ি জমালে সোহাগের পুরনো বন্ধু লিটন ‘পাই ল্যাবস’ এ যুক্ত হন। সেখানে আউটসোর্সিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয় প্রজেক্ট করার কাজও বাড়তে থাকলে ২০১০ সালে অফিস নিয়ে আসেন কারওয়ান বাজারের এআরএ ভবনে।

পাই ল্যাবস মূলত ইলেকট্রনিক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে গবেষণা করে। তবে ভবিষ্যতে ইলেক্ট্রনিক্স ছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অন্যান্য শাখাতেও গবেষণা চালু করার প্রত্যয় নিয়ে পথ চলছে প্রতিষ্ঠানটি। এখান থেকেই ইভিএম মেশিন বানিয়েছেন সোহাগ, মাসুম এবং রাজিব।

পাইল্যাবসের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের মধ্যে রয়েছে ভেহিক্যাল ট্রাকিং সিস্টেম (ভিটিএস), গার্মেন্টে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, ডিজিটাল স্পিডমিটার, নিটিং রোলারের ডিজিটাল কাউন্টার, সোলার ইনভেন্টর ইত্যাদি।

অন্যরকম সফটওয়ার
দেশে ভালমানের সফটওয়ার তৈরির ইচ্ছা থেকে গড়ে তোলেন অন্যরকম সফটওয়ার লিমিটেড। নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিও তাদের স্বপ্ন ছিলো বলে পাই ল্যাবসের তিন প্রকৌশলীকে নতুন এ কোম্পানির পরিচালক হিসাবে নেন সোহাগ।

422539_362486327105159_701304591_n

এ প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য সফটওয়ারগুলোর মধ্যে রয়েছে ইজি ভোটিং কাউন্ট সিস্টেম (ইভিসিএস), ইজি ওএমআর সল্যুশন, অনলাইন শেয়ার ট্রেডিং সিস্টেম ফর ব্রোকারেজ হাউজ, ওয়েব বেইজড একাউন্টিং সফটওয়্যার ইত্যাদি।

অন্যরকম সল্যুশনস
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগীতা করার তাড়না থেকে প্রতিষ্ঠিত হয় অন্যরকম সল্যুশনস। শুরুতে বেশ কিছু প্রযুক্তি পণ্য আমদানি করা হয়েছে। তবে এখন রফতানির দিকে মনোনিবেশ করার পরিকল্পনা করছে এ উদ্যোক্তা। এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হল দেশে উৎপাদিত পণ্য যাতে বিদেশি বাজারে জায়গা দখল করে নিতে পারে সেরকম একটা প্লাটফর্ম দাঁড় করানো।

অন্যরকম ওয়েব সার্ভিসেস (রকমারি ডটকম)
সোহাগ বলেন, অন্যরকম গ্রুপ যেন রকমারি ডটকমের আড়ালে ঢাকা পড়ে আছে। মজার বিষয় হলো রকমারি ডটকম আদতে কোনো কোম্পানী নয়, এটি একটি প্রোডাক্ট বা প্রজেক্ট মাত্র।

যে কোম্পানির আওতায় রকমারি ডটকম পরিচালিত হয় তার নাম অন্যরকম ওয়েব সার্ভিসেস লিমিটেড। উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্পে এটিও আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে মনে করেন তিনি।

Untitled

তরুণ এ উদ্যোক্তা বলেন, ই-কমার্স নিয়ে কিছু করবার চিন্তা ও উদ্যোগ ছিল অনেকদিন ধরেই। এ সময় বুয়েটের তিনজন জুনিয়র ই-কমার্স নিয়ে কাজ করতে আগ্রহের কথা জানায়। তবে তারা সাহস পাচ্ছে না। তখন যৌথ উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় অন্যরকম ওয়েব সার্ভিস লিমিটেড।

প্রথমে এটির ফোকাস পয়েন্ট নির্ধারণে সংশয় থাকলেও বিষয় পরে আর দ্বিধা থাকেনি। দেশের প্রকাশনা শিল্পটি যথেষ্ট সম্ভাবনাময় হওয়ার পরও সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। ঢাকার বাইরে বই যেন রীতিমত দুষ্প্রাপ্য বস্তু। ঢাকার ভেতরেও শাহবাগ ও বাংলাবাজারের মধ্যে বই সীমাবদ্ধ হয়ে আছে। মানুষের কাছে বই পোঁছে দিতে পারলে রাতারাতি পাল্টে যাবে বইয়ের বাজারচিত্র। সে চিন্তা থেকেই রকমারী চালু হয় বলে জানান সোহাগ।

অন্যরকম ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি
সোহাগ বলে চলেন তার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। কিভাবে একটি থেকে আরেক উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন নতুন উদ্যোগ গুছিয়ে তুলতে। এরই ধারাবাহিকতায় গড়ে তুলেছেন অন্যরকম ইলেকট্রনিক্স।

সাহসী এ উদোক্তা জানান,

“নিজেরা গবেষণা করে ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনের সাহস করতে একটুও দ্বিধায় ভুগতে হয়নি আমাদেরকে। ভবিষ্যতের বিবেচনার ভার সময়ের। কিন্তু এমন একটি প্লাটফর্ম প্রস্তুতের চেষ্টা চলছে, যেখানে মেধাবী মানুষেরা নিজেদের স্বপ্নের বাস্তবায়নে ভয় পাবে না।”

বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে অন্যরকম ইলেকট্রনিক্সের নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে পাই ল্যাবসের গবেষণা থেকে তৈরি পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করা হয়। এখানে উৎপাদিত উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার, সোলার চার্জ কন্ট্রোলার, এনার্জি বাল্ব ইত্যাদি।

টেকশপ বাংলাদেশ
টেকশপবিডি ডটকম অন্যরকমগ্রুপের প্রথম ই-কমার্সভিত্তিক উদ্যোগ। এটি পাই ল্যাবসের একটি প্রকল্প। এর মাধ্যমে ঘরে বসেই ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট সংগ্রহ করতে পারবে যে কোনো প্রযুক্তিপ্রেমী।

সোহাগ বলেন, তরুণদের প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্যাশন ও তাদের কাজের ধরন ও গুণগত মান সম্পর্কে ধারণা পেতে চেয়েছিলাম আমরা। নিজেরা যখন বুয়েটে পড়াশোনা করতাম, তখন দেখেছি কম্পোনেন্ট সংগ্রহ করা কীরকম ঝামেলাপূর্ণ একটা ব্যাপার। ঝামেলার মাত্রা কমাতে নিজেরা কিছু করার চেষ্টা থেকে শুরু এ উদ্যোগের।

শুরুতে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও টেকশপ এখন স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক কয়েকটি ই-কমার্স সাইটের স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবেও কাজ করছে এটি।

উদ্ভাস
কোচিং প্রথার বিরোধী একটি নতুন ধারার সৃষ্টি উদ্ভাস। ‘মুখস্ত না করে বুঝে পড়’ এর মূলমন্ত্র। ঢাকা শহরে এর ১৭ টি শাখা রয়েছে।

আইডেন্টিটি ক্রাইসিস
দীর্ঘ আলাপচারিতায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে এ উদ্যোক্তা বলেন, সোশাল আইডেন্টিটির বর্তমান প্রচলিথ ধারণা উদ্যোক্তা তৈরির অন্যতম অন্তরায়। তিনি বলেন, একজন চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার বা আমলা সমাজে যতটুকু সম্মানিত, একজন উদ্যোক্তার সেটুকু সম্মান নেই। যদিও সামাজিক অবদানের জায়গাটিতে তিনি অন্যদের চেয়ে মোটেই পিছিয়ে নেই। উদ্যোক্তার জীবন তাই একটু কঠিন।

“অমুক এটা করেছে বলে আমাকেও এটি করতে হবে”- এ ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা উদ্যোক্তা তৈরির অন্তরায় বলে মনে করেন সফল এ উদ্যোক্তা।

স্বীকৃতি
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে তরুণ উদ্যোক্তা এবং EVM Gi co-inventor হিসেবে অবদান রাখায় “বিশেষ সম্মাননা” পুরস্কার পেয়েছেন সোহাগ। ২০১২ সালে দৈনিক প্রথম আলো তাকে উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে নির্বাচিত করেছিল।

একই বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলোহামা ইউনিভার্সিটি আয়োজিত এন্টারপ্রেনার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের আওতায় দেড় মাসব্যাপী এক কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

এ ছাড়া প্রযুক্তি গবেষণায় অবদান রাখায় পাই ল্যাবস বাংলাদেশের পক্ষে আনোয়ারুল কাদির ইনোভেটর অ্যাওয়ার্ড এবং বিশ্বের সর্ববৃহৎ সিটি স্কুল, “সিটি মন্টেসরি স্কুল” কর্তৃক “ অ্যামবাসেডর অব পিস” সম্মানে ভূষিত হন সোহাগ।

তার মতে, স্বীকৃতি হলো পজিটিভ এনার্জি, যা মানুষকে আরও বেশি উদ্যোমি করে তোলে।

প্রতিবন্ধকতা
সোহাগের মতে, দেশের এতো সমস্যার মূল কারণ মানসিকতার দুষ্টচক্র। সমস্যা দেখলে অধিকাংশ মানুষই পলায়ণপর আচরণ করে, হাল ছেড়ে দেয়। এতে সমস্যাটির জটিলতাও বাড়তে থাকে।

তার মতে, হাজারটা বাধা আসবে এবং এর মধ্যে এগিয়ে যাবার নামই উদ্যোক্তা। মানসিক ভাবে দৃঢ় হলেরই সকল বাধা মোকাবেল করা সম্ভব। যাদের ধৈর্য্য নেই তাদের উদ্যোক্তা পেশায় না আসার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

427306_10151083269283914_2028237205_n

প্রচারণা
তরুন এ উদোক্তা বলেন, প্রচারণার প্রথম ধাপ হচ্ছে গ্রাহক সন্তুষ্টি। পণ্যের গুনগত মান এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করা গেলে সবচেয়ে ভালো প্রচার হয়।

এ ছাড়া সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে টার্গেটেড অডিয়েন্সকে লক্ষ্য করে প্রচারণা চালায় অন্যরকম গ্রুপ। পুরোনো গ্রাহকদের ক্যটাগরি অনুসারে ভাগ করা আছে, তাই নতুন কোনো বই আসলে তা এসএমএস করে জানিয়ে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড, ব্যানার, পোষ্টারিং এবং বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমেও অন্যরকম গ্রুপের প্রচারণা চালানো হয় বলে জানান সোহাগ।

যেখানে পৌঁছাতে চান
সোহাগ বলেন, ‘আমরা দেশের এক নম্বার কোম্পানি হতে চাই না। কিন্তু চাই সবচেয়ে সুখি কোম্পানি হতে। দেশের মানুষকে আমাদের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত করতে চাই।’ তিনি বলেন, অন্যের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আদর্শ নিয়ে একটি অন্যরকম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

নতুনদের জন্য পরামর্শ
নতুন কিছু করতে হলে অবশ্যই ইতিবাচক মানসিকতার হতে হবে। প্রচুর পড়াশোনা ও চিন্তা করার অভ্যাস থাকতে হবে।

উদ্যোক্তা হতে চাইলে ইউনিক কোনো বিষয় বেছে নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে সব কিছুর গোড়ায় থাকতে হবে একটা আবেগ। এটা মানুষকে ধৈয্যশীল হবার পাশাপাশি অন্যান্য গুনাবলীকে ধারণ করতে সাহায্য করে।

যোগাযোগ
ARA Bhaban, 39 Kazi Nazrul Islam Ave,
Dhaka 1215
Web address: www.onnorokom.com
ই-মেইল : [email protected]

আরো পড়ুনঃ

১ টি মতামত

*

*

আরও পড়ুন