vivo Y16 Project

আসুস মেমোপ্যাড ৭এমই৫৭২সি : সিমবিহীন হলেও দামের বিচারে দারুণ

আসুস মেমোপ্যাড ৭এমই৫৭২সি : সিমবিহীন হলেও দামের বিচারে দারুণ-টেকশহর.কম

শাহরিয়ার হৃদয়, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আসুস মেমোপ্যাড সিরিজের ট্যাবগুলো এতদিন এন্ট্রি লেভেলের হয়ে থাকলেও এবার তা থেকে সরে এসেছে কোম্পানিটি। চলতি বছরের শেষ দিকে ঘোষণা করা মেমোপ্যাড ৭ এমই৫৭২সি কনফিগারেশনের দিক থেকে নেক্সাস ৭ এর মতো শক্তিশালী, কিন্তু দাম তার চেয়ে কম। নভেম্বরে এটি বাজারে পাওয়া যাবে।

আসুস মেমোপ্যাড ৭এমই৫৭২সি : সিমবিহীন হলেও দামের বিচারে দারুণ-টেকশহর.কম

ডিজাইন
এটি ‘কাজ চলার মতো’ বেসিক ট্যাব নয়, তা প্রথম দেখাতেই বোঝা যাবে। সুক্ষ্ম ফিনিশিং ও স্লিমনেসের কারণে দেখতে বেশ আকর্ষণীয় লাগবে এটি। ধরতে সুবিধার জন্য এর পেছনে এম্বোস টেক্সচার রয়েছে। এছাড়া ট্যাবটির ওজন মাত্র ২৬৯ গ্রাম।

Techshohor Youtube

ডিসপ্লে
এতে আছে সাত ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজুল্যুশন ১২০০*১৯২০ পিক্সেল, পিক্সেল ডেনসিটি ৩২৩ পিপিআই। সুপার্ব স্ক্রিন বলতে যা বোঝায়, এটি ঠিক তাই। চমৎকার ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল, কালার ব্যালেন্স, প্রতিটি টেক্সট খুবই নিখুঁত ও ঝকঝকে।

কানেক্টিভিটি
সিম সাপোর্টেড নয় এটি। কানেক্টিভিটির মধ্যে আছে ওয়াই-ফাই, হটস্পট, জিপিএস, ব্লুটুথ ও দ্রুত ফাইল শেয়ারের এনএফসি। সেন্সরের মধ্যে আছে অ্যাক্সেলেরোমিটার, জাইরো ও কম্পাস।

ক্যামেরা
এর প্রধান ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। অটোফোকাস, বার্স্ট মোডসহ বেশ কিছু ফিচার রয়েছে। ছবির মান মোটামুটি চলনসই। সামনে ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা আছে।

কনফিগারেশন
ইন্টেল অ্যাটম জেড৩৫৬০ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে এতে। প্রসেসর কোয়াড কোর ১.৮৩ গিগাহার্জ, গ্রাফিক্স প্রসেসর পাওয়ারভিআর জি৬৪৩০। র‍্যাম ২ জিবি। ইন্টারনাল মেমোরি ১৬ বা ৩২ জিবি, যা ৬৪ জিবি পর্যন্ত এক্সটেন্ডেবল।

পারফরম্যান্স
অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট ৪.৪.২ ব্যবহার করা হয়েছে এতে। আসুস এতে নিজস্ব এক কাস্টম ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করেছে, যা মূল অ্যান্ড্রয়েডের চেয়ে খুব একটা ভিন্ন নয়। তাই অ্যান্ড্রয়েডের মূল স্বাদ মোটামুটি অক্ষুণ্ণ থাকবে।

নেভিগেশন, মাল্টিটাস্কিং, ব্রাউজিং ইত্যাদি শতভাগ গতিতে করা যাবে, পারফরম্যান্স সম্পর্কিত কোনো সমস্যা হবে না। বিভিন্ন বেঞ্চমার্কেও এটি নেক্সাস ৭ এর চেয়ে বেশি পয়েন্ট পেয়েছে। যেকোনো গেইম খেলা যাবে ফুল কোয়ালিটিতে। চমৎকার ডিসপ্লের কারণে গেইমের গ্রাফিক্সও খুবই উন্নত আসবে।

ব্যাটারি
এতে ৩৯৫০ মিলিঅ্যাম্পের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ ব্যবহারে ১২-১৩ ঘণ্টা ব্যাকআপ দেবে।

দেশের বাজারে এটির দাম হতে পারে টাকার ২৫ হাজার টাকার মতো।

এক নজরে ভালো
– দামের তুলনায় অনেক উন্নত কনফিগারেশন ও পারফরম্যান্স
– চমৎকার ডিসপ্লে ও ডিজাইন
– এনএফসি কানেক্টিভিটি

এক নজরে খারাপ
– সিম সাপোর্টেড নয়
– ক্যামেরায় তেমন ফিচার নেই

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project