Header Top

ইউটিউবে জনপ্রিয় হচ্ছে ভিডিও মার্কেটিং : জানতে হবে যেসব বিষয়

ভিডিও মার্কেটিং-টেকশহর

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অনলাইন মার্কেটিং বলতে সাধারণভাবে ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসের মতো শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে অনলাইন মার্কেটাররা আরও বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে ভিডিও একটু দারুণ কার্যকরী মাধ্যম। আর এ ক্ষেত্রে ইউটিউব হলো সর্বেসর্বা।

জনপ্রিয় ভিডিও দেখার এ ওয়েবসাইট অনলাইন মার্কেটিংয়ের অন্যতম একটি বড় মাধ্যম। এটিকে অনেকেই দারুণভাবে ব্যবহার করছেন মার্কেটিংয়ের কাজে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এর বেশ চাহিদাও রয়েছে।

জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক-ইল্যান্সে ভিডিও মার্কেটিং এর বিষয়ে অনেক কাজ রয়েছে ঘন্টা এবং ফিক্সড প্রজেক্টভিত্তিক। ৫ ডলার থেকে শুরু করে হাজার ডলারেরও কাজ রয়েছে আউটসোসিং মার্কেটপ্লেসে।

আরো পড়ুনঃ ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের দরকারি কৌশল

ভিডিও মার্কেটিং-টেকশহর

ধৈর্য এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব সহজে ভিডিও মার্কেটিংয়ে সফলতা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার ও আউটসোর্সিং কাজে দক্ষ ব্যক্তিত্বরা।

ভিডিও মার্কেটিং কি?
মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়ে থাকে শব্দ থেকে ছবির বেশি মূল্যবান। তাই প্রচারণার ক্ষেত্রের ছবির বেশ ভূমিকা রয়েছে। সেই সাথে ছবিটি ভিডিও হলে  দ্রুতই পণ্যের প্রতি গ্রাহকের নজর আকর্ষণ সম্ভব হবে।

ভিডিও ব্যবহার করে কোনো পণ্য বিপণন করাকেই সাধারণত বলা হয় ভিডিও মার্কেটিং। ইউটিউবের মত পাবলিক ভিডিও শেয়ারিং সাইটকে সহজেই একটি কার্যকর অনলাইন মার্কেটিং মাধ্যম হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

ভিডিও মার্কেটিং কেন গুরুত্বপূর্ণ
১. আর্টিকেল পড়ার ধৈর্য্য অনেকের নেই। এমন সব ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ভিডিও মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। ফলে খুব সহজে ব্যবহারকারীরা না পড়েও ভিডিও দেখে পণ্য সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। এতে একসঙ্গে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সহজ। এতে প্রচারণা বৃদ্ধি পাবে।

২. ভিডিওয়ের মাধ্যমে সহজে পণ্যের গুণাগুন সম্পর্কে জানানো যায়। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভিডিও দেখার ফলে পণ্যের গুণমান সম্পর্কে দ্বিধা থাকে না। এর ফলে বর্তমানে মার্কেটপ্লেসে ভিডিওয়ের চাহিদা রয়েছে।

৩. ভিডিও তৈরি করা একটু ব্যয়বহুল হলেও মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে তা সহজে করা যায় এবং বিনামূল্যে ইউটিউবের পাবলিশ করা যায়। ফলে নতুন উদ্যোক্তারা নিজের পণ্য সহজে প্রচারণা করতে পারে।

৪. ভিডিওয়ের ফলে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে ভালো প্রভাব বিস্তার করা যায়।

৫. মার্কেটপ্লেসে ভিডিও মার্কেটিংয়ের প্রতিযোগীতা তুলনামূলকভাবে কম। তাই সহজে ফল পাওয়া যায়।

images

ইউটিউবে ভিডিও আপলোডে সাবধানতা
১. নিজস্ব ক্যামেরায় তোলা নিজের ভিডিও। অন্যের ভিডিও আপলোড করা করা উচিত না।

২. এমন ভিডিও আপলোড করতে হবে, যেটির দাবি কেউ করবে না। কপি করে কোনো ভিডিও আপলোড করা উচিত নয়। এতে সুনাম কমবে। অন্য কেউ সেটির দাবি করলে কপিরাইটবিষয়ক সমস্যা হবে।

৩. ভিডিওয়ের মান সব সময় ভালো হতে হবে। বিশেষ করে সাউন্ড কোয়ালিটি।

৪. সঠিক ভিডিও বিট-রেট, ফ্রেম, রেজুলেশন ভালো হতে হবে।

৫. অশ্লীল ও পর্ণোগ্রাফি ভিডিও আপলোড করা যাবে না।

৬. ভিডিওতে ভাষার ব্যবহার করতে হবে সহজ ভাবে। যেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা তা সহজে বুঝতে পারে।

ইউটিউবের ভিডিওতে ভিজিটর পেতে সার্চ ইঞ্জিনকে টার্গেট করে দিতে হবে। কেননা ভিজিটরের বিরাট একটি অংশ আসে সার্চ ইঞ্জিন থেকে। তাই সঠিকভাবে টাইটেল, ডিসক্রিপশন এবং ট্যাগ দিতে হবে।

টাইটেল
ভিডিও টাইটেল ভিজিটর পাওয়ার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় আকষর্নীয় টাইটেল দিতে হবে। যেন ভিডিটর সহজে বুঝতে পারে ডিভিওটির বিষয় কি।

ডিসক্রিপশন
ডিসক্রিপশনের শুরুতে সাইটের ইউআরএল দিতে হবে। তারপর ভিডিওটির সম্পর্কে বর্ণণা দিতে হবে।

একটা কথা মনে রাখতে এ ডিসক্রিপশন ভিজিটর না পড়লেও এটি গুগল এবং ইউটিউবের সার্চে প্রভার বিস্তার করে। এটি ২৫০-৩০০ শব্দের মধ্যে লেখা ভালো।

ট্যাগ
ট্যাগ গুগলের জন্য বেশ কার্যকরী একটি টুলস। ইউটিউবে ঠিক তেমনি গুরত্ব রয়েছে ট্যাগের। টার্গেটেড ট্যাগের কারনে খুব সহজে খুব কম্পিটিটিভ একটা ভিডিওকে টপকে প্রথম পাতায় চলে আসার সুযোগ রয়েছে।

 

আরো পড়ুনঃ

১ টি মতামত

*

*

আরও পড়ুন