সব ব্যাংক ও এটিএমের ঠিকানা নিয়ে অ্যাপ

রুপক-টেকশহর

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ব্যাংকিং লেনদেনে এখন এটিএমের ব্যবহার অনেক বেশি। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বড় লেনেদেন ছাড়া সকলেই এটিএম বুথের সহায়তা নিয়ে থাকে। ভ্রমণকালে বিশেষ প্রয়োজনে অপরিচিত জায়গায় নিজের ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তোলার প্রয়োজন হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে এটিএম বুথ কোথায় আছে তা জানা না থাকলে বেশ মুশকিলে পড়তে হয়। আশেপাশের লোকজনও ঠিকানা জানাতে পারে না। নির্দিষ্ট বুথটি খুঁজে পেতে বেশ সময় নষ্ট হয়। তবে প্রযুক্তি এ রকম ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে স্মার্টফোনের সাহায্যে খুব সহজে খুঁজে পাওয়া সম্ভব প্রয়োজনীয় এটিএম বুথটি কোথায়।

দেশের কোডেটিক নামে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে তেমনি একটি অ্যাপ্লিকেশন। ‘ব্যাংক অ্যান্ড এটিএম ফাইন্ডার (বাংলাদেশ)’ নামে অ্যাপটির সাহায্যে সারা দেশে সব ব্যাংকের এটিএম বুথ এবং শাখাগুলোর তথ্য পাওয়া যাবে। এটির ডিজাইনও বেশ ভালো।

আরও পড়ুন: ম্যালওয়ার দিয়ে এটিএম মেশিনে হ্যাকারদের হানা

রুপক-টেকশহর

অ্যাপটি ডেভলপ করেছেন নাজমুল হাসান রূপক এবং সাহানা শারমিন ইতি। অ্যাপের ইন্টারফেস ডিজাইন এবং ডাটাবেজ তৈরি নিয়ে কাজ করেন ইতি।

অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ এবং ফায়ারফক্স ওএসের উপযোগী করে অ্যাপটি তৈরি করার কাজ চলছে বলে জানান রূপক। তবে বর্তমানে শুধু অ্যান্ড্রয়েডের জন্য এটি পাওয়া যাচ্ছে। শিগগির অন্য মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য উম্মুক্ত করা হবে অ্যাপটি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ অ্যাপ ডেভেলপার টেকশহরডটকমকে বলেন, প্রথমে ম্যাপ এবং জিপিএস নির্ভর অ্যাপটি তৈরির চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনের সময় ইন্টারনেট কানেকশন নাও থাকতে পারে-এমন চিন্তা থেকে সবার সুবিধার্থে অফলাইন ডিরেক্টরি হিসেবে এটি তৈরি করা হয়েছে। এতে সব ব্যাংকের শাখা এবং এটিএম বুথের ঠিকানা, ফোন নম্বর যুক্ত করে এটিকে আরও কার্যকরি করা হয়।

রূপক জানান, দুই থেকে তিন মাস ধরে সব ব্যাংকের শাখা এবং এটিএম বুথের ডাটাবেজ তৈরি করে অ্যাপটিতে যুক্ত করা হয়েছে । তিনি আশা করছেন অ্যাপটি সবার খুব কাজে আসবে । ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ফিডব্যাক নিয়ে অ্যাপটিকে আরও উন্নত করা হবে বলেও তিনি জানান।

এক নজরে অ্যাপটির ফিচারগুলো
১. এতে রয়েছে সবব্যাংকের এটিএম বুথসহ যে কোন শাখার ঠিকানা।

ব্যাংক ফান্ডার-টেকশহর

২. ক্যাটাগরি আকারে সুন্দর করে সাজানো রয়েছে ঠিকানাগুলো। ফলে সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে এটিএম বুথ এবং ঠিকানা।

৪. এতে রয়েছে ছয়টি মেন্যু। এতে রয়েছে ডেভেলপারদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য এবং নতুন সংস্করণ আপডেটের জন্য চেক করার ব্যবস্থা।

৫. ইন্টারনেট ছাড়াই কাজ করবে এটি।

৬. ঠিকানা দেখার পাশিাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে নিকটস্থ শাখা ও বুথের লোকেশন ম্যাপের সাহায্যে সহজেই খুঁজে বের করা যাবে।

৩.৯ মেগাবাইটের অ্যাপ্লিকেশনটি এ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

আরও  পড়ুন:

অর্থ লেনদেন সেবা নিয়েও বিপাকে অ্যাপল

গোপন পরিচয়ে চ্যাট করার অ্যাপ আনলো ফেইসবুক

অ্যাপ নির্মাতাদের জন্য ১০ লাখ টাকা পুরষ্কার

*

*

আরও পড়ুন