চাঁদা তুলে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে লড়ছেন কর্মীরা

জিপি এপ্লোয়ি ইউনিয়ন-টেকশহর.কম

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : নিজ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিভিন্ন দাবি আদায়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে চাঁদা তুলছেন দেশ সেরা অপারেটর গ্রামীণফোনের কর্মীরা।

অপারেটরটির কর্মীরা গ্রামীণফোন ইমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (জিপিইইউ) এর ব্যানারে আইনি কার্যক্রম চালিয়ে নিতে চাঁদা তুলছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে নিট মুনাফা থেকে কর্মীদের প্রাপ্য পাঁচ শতাংশ আদায় নিয়ে একটি রিট মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ এ মামলা করেছে।

আরো পড়ুনঃ ছাঁটাই প্রতিবাদের পুরষ্কার পাচ্ছে জিপি ইউনিয়ন

গ্রামীণফোন-ইউনিয়ন-টেকশহর

এ ছাড়া ইউনিয়নের নিবন্ধন বিষয়ে আরও একটি রিট মামলা চলমান রয়েছে। এটিও অপারেটরটির পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি মামলা দুটি ছাড়াও ২০১২ সালে কর্মী ছাঁটাই বিষয়ে আরও ২৪টি মামলা রয়েছে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে। জিপিইইউ এবং অপারেটরটির কর্মীরা এসব মামলা করেছেন।

এখন সবগুলো রিটই দেখভাল করছে জিপিইইউ। এক সময় অপারেটরটিতে কর্মরতদের মধ্যে ৫০ শতাংশ জিপিইইউর সদস্য ছিল। এখন সেটি ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে।  বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা ও আয়ের দিক থেকে দেশের শীর্ষ এ অপারেটরে প্রায় চার হাজার স্থায়ী কর্মী কাজ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব মামলা চালিয়ে নেওয়া এবং এর খরচ যোগাতেই সদস্যদের কাছ থেকে নূন্যতম দুই হাজার টাকা করে চাঁদা তুলছে সংগঠনটি।

ইউনিয়নের একাধিক নেতা বলেছেন, কয়েক বছর ধরে মামলা চলছে। এতদিন অনেকে স্বপ্রণোদিত হয়ে সহায়তা করেছেন। কিন্তু এখন জিপিইইউ চাইছে সাংগঠনিকভাবে বিষয়গুলো দেখভাল করতে। সে কারণে এভাবে চাঁদা চাওয়া হয়েছে।

গ্রামীণফোন-জিপি-ইউনিয়ন-কর্মী-টেকশহর

শ্রম আইন অনুসারে লাভের ৫ শতাংশ কর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দিতে হবে। কিন্তু গ্রামীণফোন ২০১০ সালে পাস হওয়া এ আইনকে পাস কাটিয়ে কর্মীদেরকে লাভের অংশ দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

তারা দাবি করেন, এ আইন তাদের জন্যে প্রযোজ্য নয়। পরে কর্মীরা রিট করে। ইউনিয়নের হিসাবে ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সময়ে কর্মীদের প্রায় পৌনে তিনশ কোটি টাকা প্রাপ্য রয়েছে।

এরপর ২০১২ সালে গ্রামীণফোন কর্মী ছাঁটাই করতে গেলে বাদ পড়াদের অনেকে মামলা করেন। একই সময়ে গঠিত হয় জিপিইইউ। কিন্তু জিপিইইউর নিবন্ধন করতে গেলে বাঁধে জটিলতা। ফলে আরও একটি রিট হয়।

*

*

আরও পড়ুন