ক্লাউড সেবা নিরাপদ রাখার উপায়

ক্লাউড-টেকশহর
Evaly in News page (Banner-2)

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইন্টারনেটের এ সুবর্ন সময়ে ক্লাউড সেবা গ্রহণের হার প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এ সেবা। শুধু অফিসিয়াল নয়, ব্যক্তিগত গোপন তথ্য, ফাইল ও ছবি সংরক্ষণ করা হচ্ছে ক্লাউডে।

ক্লাউড সংরক্ষিত কোনো তথ্য ট্যাব, স্মার্টফোন ও কম্পিউটার দিয়ে সহজে পাওয়া যায়। এ সুবিধা থাকায় একই তথ্য তিন ডিভাইসে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না। অধিকহারে ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার এটিও একটি কারণ।

তবে ক্লাউড সেবা ব্যবহার করতে হলে প্রথমে নিরাপত্তার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। কেননা ইদানিং সাইবার অপরাধের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি হ্যাকারদের প্রিয় লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে ক্লাউড। তাই ব্যক্তিগত তথ্য খোয়া গেলে যাতে বিপাকে পড়তে না হয় সেজন্য সজাগ থাকতে হবে।

বর্তমানে ব্যবহৃত ক্লাউড সার্ভিসের মধ্যে গুগল ড্রাইভের সুনাম রয়েছে। বিশ্বে অনেক ব্যবহারকারীর কাছে গুগলের সার্ভিসটি জনপ্রিয়। তবে সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে গুগল ড্রাইভ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।

এ টিউটোরিয়ালে গুগল ড্রাইভের নিরপত্তায় করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে তুলে ধরা হলো।

আরও পড়ুন: আইক্লাউডের নিরাপত্তা বাড়াতে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’

ক্লাউড-টেকশহর

এনক্রিপশন অ্যাপ ব্যবহার
এনক্রিপশন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে গুগল ড্রাইভ নিরাপদে রাখা সম্ভব। অ্যাপের মাধ্যমে ফাইলগুলোকে এনক্রিপটেড অবস্থায় রাখা যায়।

ফাইলগুলো গুগল ড্রাইভে থাকলে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস থেকে তা এনক্রিপ্ট করা যাবে। প্রয়োজনের সময় এনক্রিপশন অ্যাপ্লিকেশনে গিয়ে পাসওয়ার্ডের সাহায্যে ফাইলগুলো দেখা যাবে।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন
গুগল ড্রাইভের নিরাপত্তার জন্য গুগল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বেশি জরুরি। সেই সঙ্গে টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে গুগল ড্রাইভের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা যায়।

এজন্য গুগল অ্যাকাউন্টে লগইনের পর ‘সেট আপ ইওর ফোন’ অপশনের ‘হুইচ ফোন শুড উই সেন্ড কোডস টু?’ বক্সে মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এরপর মোবাইল ফোনে একটি ভেরফিকেশন কোড এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে। ওই কোড দিয়ে গুগল ড্রাইভ অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করাকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন বলা হয়।

ফাইল শেয়ারে সর্তকতা
ক্লাউড সেবার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট হলো ফাইল শেয়ার করার সুবিধা। খুব সহজে যে কোনো ফাইল সহজে শেয়ার করা যায়। গুগল ড্রাইভে শেয়ার করার সুবিধা আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। খুব সহজে যে কোনো ফাইল শেয়ার করা যায় এর মাধ্যমে।

তবে যখন তখন ফাইল শেয়ারে সর্তক থাকবে হবে। বিশ্বস্ত ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে ফাইল শেয়ার করা উচিত নয়।

এ ছাড়া মেইন ফোল্ডার শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। প্রয়োজন শেষে ফাইলের শেয়ার প্রত্যাহার করতে হবে।

ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সচেতন
বর্তমানে ওয়াই-ফাই ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। শপিং মল, হোটেলগুলোতে পাওয়া যায় বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সেবা। তবে হ্যাকাররা অনেক সময় এ নেটওর্য়াকের মাধ্যমে হ্যাকিং কার্যক্রম চালায়। ফলে চুরি হতে পারে ব্যক্তিগত তথ্য।

তাই যেখানে সেখানে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারে সচেতেন থাকা উচিত। বিশেষ করে অজানা কোনো ওয়াই-ফাই সংযোগ যুক্ত করে ক্লাউড সেবা গ্রহণ না করাই ভালো।

আরও পড়ুন

নিরাপত্তার আতংক ফেলে ক্লাউড সিস্টেমে আসাটাই গুরুত্বপূর্ণ

আই ক্লাউড হ্যাক করে তারকাদের নগ্ন ছবি প্রচার

সাউন্ডক্লাউড থেকে গান ডাউনলোড করার উপায়

*

*

আরও পড়ুন