vivo Y16 Project

ফেইসবুকের রেসপন্স থেকেই শুরু রান্না শেখানোর উদ্যোগ সাইদা'স কিচেন

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দিল আফরোজ সাইদা শখে রান্না করতেন তখন, কেক বানাতে ভীষণ পছন্দ করতেন । একদিন কেক বানিয়ে ফেইবুকে পোস্ট দেন আর সেই পোস্টে ১৭ হাজার লাইক পড়ে । এই রেসপন্স তাঁকে ভিন্ন কিছু করতে ভাবায়। শুরু হয় সাইদা’স কিচেনের বীজ বপন।

২০১৩ র আগে তিনি রান্না বিষয়ক বিভিন্ন শর্ট কোর্সে অংশ নিয়েছেন, নিজেকে নিজে আনন্দ দিতে রান্না করতে এবং শেখাতে পছন্দ করতেন দিল সাইদা । ১৩ সালে এসে ডিজিটাল জগতে পা দিলেন তিনি।

পেইজ ক্রিয়েট করে ফেইসবুকে শেয়ার করলেন, ইউজাররা উনার পেইজকে দ্রুত কাছে টেনে নিলেন, তারা রেসিপি ফলো করে আবার কমেন্টে ছবি দিতে লাগলেন এগুলো উনাকে উজ্জীবিত করে । মনের ভেতর দায়িত্ব অনুভব করেন দিল আফরোজ। তারপর তিনি নিজের নামে ওয়েবসাইট , ইউটিউব চ্যানেল এর যাত্রা করলেন।

Techshohor Youtube

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সাইদা জানালেন, পারিবারিকভাবে কিছু বছর বাচ্চাদের সময় দেয়ার পর তিনি আবার নতুন উদ্যমে শুরু করলেন। নিজেকে আপডেট করতে লং কোর্সে অংশ নিলেন। নিজেই নিজের পরিবর্তন বুঝতে পারলেন । আগের সাইদা এবং বর্তমানের সাইদার অনেক তফাত । কম সময়ে দ্রুত এবং গুছিয়ে কাজ করা বা বড় পরিসরের কাজ দ্রুত করার টেকনিকগুলো সাইদার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিল ।

একটা রেসিপি তৈরি করা দীর্ঘ সময়ের কাজ। বাজার করা, রান্নার প্রিপারেশন নেয়া, ফুড স্টাইলিং নেয়া, রান্না করা, ফুড ফটোগ্রাফি করা , ভিডিও করা এখন নিজেই এইসব কাজ করছি বলছিলেন সাইদা । জানালেন ফুড প্রেজেন্টেশনের গুরুত্ব।

স্বপ্ন পূরনের কথা বলতে গিয়ে দৃপ্ত কন্ঠে জানালেন, এক সময় তিনি নকশা পেপারের রান্নার পাতা সংগ্রহ করে রাখতেন , টিভিতে রান্নার ইন্টারভিউ দেখলে ডায়েরিতে টুকে নিতেন , ম্যাগাজিন সংগ্রহে রাখতেন আর আজ সাইদার রেসিপি সেই নকশায় ছাপা হয় ।টিভিতে প্রচার হয় । সাইদার রেসিপি মানুষ টুকে রাখে , নিজেরা প্রয়োগ করে আবার তাঁকে জানায় । চোখে মুখে আনন্দ আর উচ্ছ্বাস নিয়ে এসব বলছিলেন সাইদা ।

কথায় কথায় নিজের কিচেন স্টুডিওর কথা বলছিলেন তিনি । অনলাইনে রান্না শেখানো অফলাইনের চেয়ে সহজ তাই অনলাইনের প্রতি আগ্রহ তাঁর। চ্যালেঞ্জ এর কথাও বলছিলেন সাইদা। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে বলেছেন , এখন কুকিং ক্লাস, কুকিং শো হচ্ছে কিন্তু আগামীতে ক্যাটারিং সার্ভিস সহ কুকিং রিলেটেড আরও সব সার্ভিস দিতে চাই । হাসতে হাসতে বলছিলেন ,আজকের এই আমি আগামী ৫ বছর পর যেন এই জায়গায় না থাকি । পুরো গল্প শুনুন ভিডিওতে ।

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project