হাইব্রিড অফিসের জন্য জাবরার স্মার্ট সল্যুশন দেখালো টেক রিপাবলিক

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ভার্চুয়াল রুম’ স্থাপনের মাধ্যমে ‘অন দ্যা গো’ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে নেয়ার দুর্দান্ত একটি সল্যুশন বাংলাদেশে এনেছে টেক রিপাবলিক লিমিটেড।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড জাবরা প্যানাকাস্ট সিরিজের ভিডিও কনফারেন্সিং ও ইভলভ সিরিজের ইয়ার বাডের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

হাইব্রিড ওয়ার্কিং পরিবেশকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তোলার এই ডিভাইস দুটির সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের পরিচয় করিয়ে দেন টেক রিপাবলিক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ এম ফয়েজ মোর্শেদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাবরা দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিটার জায়াসেলান, এন্টারপ্রাইজ বিজনেস বিভাগের সহযোগী পরিচালক ইয়োগেস ক্যালে এবং ব্যবসায় উন্নয়ন বিভাগের ব্যবস্থাপক বিনোদ কুমার এস।

Techshohor Youtube

এ সময় পিটার বলেন, “কিছুদিন আগেও অফিসের কাজে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান এবং সময় অঞ্চল থেকে পেশাদারদের সংযুক্ত হওয়া খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিন্তু এখন বিশ্বে এর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে।
অতিমারি করোনা কালে এবং এর পরও সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। অফিস কর্মীরা এখন হাইব্রিড মুডে কাজ করেন। তাদের স্বচ্ছন্দ্য মাথায় রেখে, আমরা আমাদের নতুন অফার জাবরা ইভলভ ২ বাড চালু করতে পেরে আনন্দিত ।

ফয়েজ মোর্শেদ বলেন, টেক রিপাবলিক শুরু থেকেই সবাইকে সেরা সল্যুশন দেয়ায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সঙ্গে সঙ্গে এই সল্যুশন যেনো সাময়িক না হয়ে দীর্ঘ মেয়াদে ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্মার্ট ভাবে কাজ করতে সহায়তা করে সে দিকেই বেশি গুরুত্ব দেই। সেই কথা মাথায় রেখেই আমরা আজ প্যানাকাস্ট ও ইয়ারবাড উন্মোচন করলাম।

টেক রিপাবলিকের নির্বাহী পরিচালক ও জাবরা ব্র্যান্ড বোদ্ধা মেহেদী হাসান বলেন, করোনা পরবর্তি সময়ে যেহেতু ভার্চুয়াল অফিসের গুরুত্ব বাড়ার পাশাপাশি খরচ কমাতে অনেকে অফিস স্পেস ছোট করে আনছেন এবং চলতি অবস্থায় মোবাইলেই জরুরী কাজ সারতে হচ্ছে সেজন্য ‘প্যানাকাস্ট’ ও ‘ইয়ারবাড’ এখন হাইব্রিড অফিসের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠছে।

তিনি আরও জানান, প্যানাকস্ট এর মূল বৈশিষ্ট হলো এটি দেয়ালের সঙ্গে জুড়ে দিলে তা কয়েক ইঞ্চির মধ্যেই ১৮০ ডিগ্রি কোনে কাজ করে। এমনকি পাশে থাকা হোয়াইটবোর্ডের সব লেখা ও ভিডিও বৈঠকে উপস্থিত কিংবা সংযুক্তদের নিকটবর্তী রুমে বিভক্ত করে সবার কাছে সমান ভাবে উপস্থাপন করে। যখন যিনি কথা বলেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাকেই অনুসরণ করে। তারহীন প্রযুক্তির কারণে পুরো পরিবেশকে রাখে নিট অ্যান্ড ক্লিন। আর ইয়ারবাডটি ‘যতই নয়েজ থাকুক না কেনো তা সযত্নে দূরে সরিয়ে শুধু আলাপচারী ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে।

*

*

আরও পড়ুন