vivo Y16 Project

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস নির্মাণের ধারায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা বহুমাত্রিক -পলক

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস নির্মাণের ধারায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা বহুমাত্রিক। এই বহুমাত্রিকতার একটি মৌল অনুষঙ্গ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি। প্রাতিষ্ঠানিক ও পদ্ধতিগত পঠন-পাঠনের ধারায় নাট্য ও পরিবেশনা শিল্পকলা অন্তর্ভুক্ত শিক্ষা কার্যক্রম এই সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি গঠনের ক্ষেত্রে আরো দৃঢ় ভূমিকা পালন করছে।

৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নাট্যউৎসবের এক বিশেষ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমন্ডলে শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে অধ্যাপক রহমত আলীর নির্দেশনায় দ্বিজ কানাই প্রণীত দেশজ পরিবেশনা “মহুয়া” পালা মঞ্চায়ন হয়েছে।

Techshohor Youtube

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান। এ সময় নীলফামারী ২ এর সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট অভিনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাঙালি জাতির বহুমুখী শিক্ষা ও শিল্পচর্চার বীজভূমি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, মানবিক মূল্যবোধ ও মু্ক্তচিন্তা চর্চার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষায়তন। তিনি বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তান ও বীরদের পদচারণায় উর্বর হয়েছে এই ক্যাম্পাস। বহু প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যদিয়েও আমাদের শিল্পচর্চা স্বাধীনতা অর্জনে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।

পলক বলেন, বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা ও দামাল ছেলে-মেয়েরা অভিনয় জগৎ এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে ভালো করছে। তারা পুরো বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

মহুয়া পালা প্রযোজনাটি গীত-নৃত্য-বাদ্য সহযোগে আমাদের দেশজ পরিবেশনা শৈলী অনুসৃত এক নব্য সৃষ্টিকর্ম। দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত মৈমনসিংহ গীতিকার একটি উল্লেখযোগ্য পালা মহুয়া। পালাটির সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে, পূর্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য এবং ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক। রচয়িতা হিসেবে দ্বিজ কানাই-এর নাম পাওয়া যায়। রসের দিক থেকে এটি রোমান্টিক-ট্র্যাজেডি ঘরানার দৃশ্যকাব্য। মহুয়া পালায় অন্ত্যজ শ্রেণি বেদে সমাজের যাযাবর জীবন বর্ণিত হয়েছে।

মহুয়া প্রযোজনার কাহিনী গড়ে উঠেছে একটি অসাম্প্রদায়িক মানবিক প্রণয়কে কেন্দ্র করে। গারো পাহাড়ের জঙ্গলে বাস করা হুমরা বেদে একদিন কাঞ্চনপুর গ্রামের এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের ছয় মাসের শিশু কন্যা চুরি করে এবং দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। কালে কালে ছয় মাসের সেই শিশু কন্যা ষোল বছরের অপরূপ সুন্দরী যুবতীতে পরিণত হয়। নাম দেওয়া হয় মহুয়া সুন্দরী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ প্রযোজনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগীতায় স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীবৃন্দের অভিনয়ে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

ফেইক নিউজ বা গুজব কখনই সংবাদ হতে পারে না – পলক

স্টার্টআপ এক্সপ্লোরার লোন’সহ স্টার্টআপ বাংলাদেশ ও ইবিএল কোব্র্যান্ড ভিসা কার্ড উদ্বোধন করলেন পলক

শিশুদের অধিকার নিশ্চিতে ন্যাশনাল প্ল্যাটফর্ম গড়া হবে – পলক

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project