vivo Y16 Project

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যেসব সহযোগিতায় ভারত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন উদ্যোগে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত ভারত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারে তাঁর ভারত সফরকালেও বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে গুরুত্ব দিয়েছেন। মঙ্গলবার দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে দুই দেশের কর্মকর্তারা বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তিনটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন।

যার মধ্যে রয়েছে, বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বিষয়ে ভারতের বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (সিএসআইআর) সঙ্গে বাংলাদেশের সিএসআইআরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক, বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্যপ্রযুক্তিগত সহযোগিতার জন্য ভারত ও বাংলাদেশের রেল মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক এবং মহাশূন্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ে বিটিসিএল এবং এনএসআইএল এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক।

Techshohor Youtube

এবারে ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

পলক বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে আজকের আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে ভারতের সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সর্বদা বাংলাদেশের অগ্রগতির পথে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পৌঁছেছে অনন্য মাত্রায়।

তিনি জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন ধরনের তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো তৈরিতে নলেজ পার্টনার ও আর্থিক ঋণ দিয়ে বাংলাদেশ ও আইসিটি বিভাগকে সহযোগিতা করেছে ভারত সরকার। আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে স্টার্টআপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সেখানে বাংলাদেশের ৫০ টি স্টার্টআপ ও ভারতের ৫০ টি স্টার্টআপ সহ মোট ১০০টি স্টার্টআপের মধ্যে ম্যাচ মেকিং, আভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের জন্য অংশগ্রহণ করবে।

এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষায় তরুণদের আকৃষ্ট করতে এবং বিনোদনের সাথে শিক্ষার আদর্শ পরিবেশ তৈরিতে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এস্টাবলিস্টমেন্ট অব বাংলাদেশ ভারত ডিজিটাল এডুট্রেইনমেন্ট সেন্টার (বিডিইসি) প্রকল্প নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটির অধীনে ৬৪ জেলায় কমপ্লেক্স স্থাপনে ভারতের গ্ৰ্যান্ট ৫০ কোটি এবং বাংলাদেশের বাকী ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচেছ।

প্রযুক্তি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রসারে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে দুই দেশের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচনা চলছে। যেখানে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, দক্ষতা উন্নয়ন, যৌথ ডিগ্রি এবং স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের আওতায় মাদ্রাজ আইআইটি বাংলাদেশে ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, দক্ষতা উন্নয়ন, যৌথ ডিগ্রি এবং স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের আওতায় দিল্লী আইআইটি বাংলাদেশে ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও টেকসই ইকোসিস্টেম তৈরিতে স্টার্টআপ ইন্ডিয়ার সঙ্গে স্টার্টআপ বাংলাদেশ সমঝোতা স্মারক, পিকেআই ব্যবহার করে ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ে সিসিএ বাংলাদেশ ও সিসিএ ইন্ডিয়া মধ্যে সমঝোতা স্মারক, বাংলাদেশের আইসিটি অধিদপ্তরের ই-গভর্নেন্সে ও ভারতের ন্যাশনাল ই-গভর্নেন্স বিভাগের যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয়ক খসড়া প্রণয়ন বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, বিইডিইসি সেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় আইসিটি সরঞ্জাম সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইআরডি ও হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ভারতের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, বাংলাদেশের ইন্টার অপারেবল ডিজিটাল ট্রাঞ্জেকশন ‘বিনিময়’ উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা নিশ্চিতের বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক।

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project