শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ ধাপে - মোস্তাফা জব্বার

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সুবিধা বঞ্চিত প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলের ৬৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ চলছে। বিটিআরসির এসওএফ তহবিলের অর্থায়নে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের আওতায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় এই দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে ।

ডিজিটাল কনটেন্ট পাওয়ার পর ছুটির পরও বাড়ি যেতে চায় না ছোট্ট শিক্ষার্থীরা। আশপাশের স্কুলের শিক্ষার্থীরা অনেকে টিসি নিয়ে এই স্কুলে চলে আসছে। তাই যে স্কুলে মাল্টি মিডিয়া আছে সে প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল কনটেন্ট দেওয়ার দাবি করেছেন মানিকগঞ্জের ডিজিটাল ডিভাইস ও ডিজিটাল কনটেন্টে পরিচালিত দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র- শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ।

ডিজিটাল ডিভাইসে ডিজিটাল কনটেন্টে পাঠ প্রদানের ফলপ্রসূ অবদান তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, শিশুরা খেলার ছলে আনন্দের সাথে তাদের এক বছরের সিলেবাস ২ মাসের মধ্যে শেষ করতে সক্ষম হয়।

Techshohor Youtube

মন্ত্রী বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গুজুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বারাহী পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল কনটেন্টে পাঠদান কর্মসূচী পরিদর্শন করেন। ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে পাঠদানে সংশ্লিষ্টদের সুবিধা এবং অসুবিধা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করাই ছিল এই পরিদর্শনের লক্ষ্য।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, শিশুদেরকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করতেই হবে। ডিজিটাল শ্রেণি কক্ষে ডিজিটাল কনটেন্টে পাঠদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ হবার পথে। ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে প্রাথমিক পাইলটিং স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রাথমিক স্তর থেকে শিক্ষার ডিজিটাল রুপান্তরের কার্যক্রম শেষ স্তুরে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক মো : আব্দুল ওহাব, বিজয় ডিজিটাল এর সিইও জেসমিন জুই, মানিকগঞ্জের এডিসি জেনারেল মো: সানোয়ার হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতিশ্বর পাল, ঊপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মোহসীন রেজাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সাল থেকে গত তের বছরে হাটি হাটি পা পা করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তরে সক্ষম হয়েছি। বিশ্বে বাংলা ভাষায় এ ধরনের ডিজিটাল উপাত্ত তৈরি করা এটাই প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র।

জেসমিন জুই বলেন, শিশুদের জন্য মান সম্মত একটি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। গত তের বছরে বিজয় ডিজিটাল কনটেন্ট সে চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে মাননীয় মন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার বিবরণ তুলে ধরেন।

ঊপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের বাইরে তার অধীন যে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস আছে সেগুলোতে বিজয় ডিজিটাল উপাত্ত পাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। মন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন ।

সুত্র – প্রেস বিজ্ঞপ্তি

*

*

আরও পড়ুন