এক হার্ডড্রাইভের জন্য ১১ মিলিয়ন ডলার খরচ করবেন তিনি! কিন্তু কেন?

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: নয় বছর ধরে হারিয়ে যাওয়া একটি হার্ডড্রাইভ খুঁজে বেরাচ্ছেন ব্রিটিশ নাগরিক জেমস হাওয়েলস। কিন্তু হাজারো চেষ্টা করেও হচ্ছে না কাজ। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। এই একটি হার্ডড্রাইভ খুঁজে পেতে এক ‘মহাপরিকল্পনা’ হাতে নিয়েছেন। আর এর বাজেট শুনলে চক্ষু হবে চড়কগাছ। মাত্র (!) ১১ মিলিয়ন ডলারের প্ল্যান।

কিন্তু কেন? মিলিয়ন ডলারের এই প্রশ্নের উত্তরেও আছে মিলিয়ন ডলারের গল্প!

নয় বছর আগে, ২০১৩ সালে জেমস ভুলক্রমে হার্ডড্রাইভটি হারিয়ে ফেলেন। তবে এটুকু তিনি জানেন যে, ড্রাইভটি নিউপোর্ট অঞ্চলের কোথাও পড়েছিলো। আর এই ড্রাইভের মধ্যে রয়েছে আট হাজার বিটকয়েন। বর্তমানে এগুলোর মূল্যমান প্রায় ১৭৬ মিলিয়ন ডলার। এতো পরিমান অর্থ যে হার্ড ড্রাইভে রয়েছে নয় বছর ধরে তার অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়া বিস্ময়কর কিছু নয়।

Techshohor Youtube

জেমস হার্ড ড্রাইভটি ফিরে পেতে সবধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, দুজন বিনিয়োগকারী তার এ অনুসন্ধান কাজে অর্থ লগ্নি করেছেন। শুধু তাই নয় বিটকয়েন সহকারে হার্ড ড্রাইভ ফিরে পেতে ১১ মিলিয়ন ডলারের একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনাও গ্রহন করেছেন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বোস্টন ডায়নামিকস থেকে দুটি রোবট কুকুর কেনা হবে। এ ধরনের রোবটের দাম প্রায় ৭৫ হাজার ডলার। জেমস জানিয়েছেন, চলমান নজরদারি ক্যামেরার মতো নিরাপত্তা এবং মাটি স্ক্যান করে হারিয়ে যাওয়া ড্রাইভটি খোঁজার কাজে এই রোবটগুলো ব্যবহার করা হবে। দুটি রোবট কুকুর কেনার কারন একটির ব্যাটারি চার্জ দেয়ার সময় অন্য রোবটটি টহল দিতে থাকবে।

রোবট দুটি এখন পর্যন্ত কেনা না হলেও এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে সাতোশি এবং হ্যাল। সাতোশি নামটি সাতোশি নাকামতো (বিটকয়েন সৃষ্টিকারী ব্যক্তি অথবা গোষ্ঠীর ছদ্মনাম) এবং হ্যাল নামটি নেয়া হয়েছে হ্যাল ফিনে (বিটকয়েনের সর্বপ্রথম লেনদেনকারী) থেকে।

তবে একটি সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না। নগর কর্তৃপক্ষ হাওয়েলসে ল্যান্ডফিলে যাওয়ার অনুমোদন দিচ্ছে না। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘হাওয়েলস আমাদের কাছে এমন কিছু উপস্থাপন করেন নি যাতে আমরা তাকে ঐ জায়গাটিতে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারি।’

সূত্র : ইন্টারনেট/আরএপি

*

*

আরও পড়ুন