রোহিঙ্গাদের কাছে যাচ্ছে বাংলালিংকের সিম

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রোহিঙ্গাদের কাছে অবৈধভাবে বাংলালিংকের সিম বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

রোহিঙ্গা এলাকায় বেশ আয়োজন করে অপারেটরটির সিম বিক্রি হচ্ছে, এমন অভিযোগও রয়েছে।

এদিকে রোববার র‌্যাব জানায়, কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে সাধারণ মানুষের এনআইডি ব্যবহার করে অবৈধভাবে নিবন্ধন করা সিম বিক্রির অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। রোহিঙ্গাদের কাছে চড়া দামে এসব সিম বিক্রি হচ্ছিলো বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান কক্সবাজার র‍্যাব-১৫-এর সিপিএসসি কমান্ডার এএসপি জামিলুল হক।

Techshohor Youtube

বাংলালিংক বলছে, রোহিঙ্গাদের কাছে সিম বিক্রির অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে বাংলালিংকের কোনো ধরণের সংশ্লিষ্টতা নেই। কোনো ডিলার-রিটেইলারের যদি এসব কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের সঙ্গে সবরকম চুক্তি বাতিল করে অপারেটরটি।

বিটিআরসির ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র টেকশহর ডটকমকে জানান, মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম নিবন্ধন শৃঙ্খলায় আনতে বিটিআরসি কাজ করছে। এতে এক ব্যক্তির বিভিন্ন আইডিতে সিম নিবন্ধন, অবৈধ নিবন্ধনসহ অনেক কিছুই ঠেকানো যাবে।

আর নির্দেশনার বাইরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের কাছে অবৈধভাবে সিম বিক্রির সুনিদির্ষ্ট অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির এই ভাইস-চেয়ারম্যান।

সম্প্রতি দেখা যায়, রোহিঙ্গা এলাকায় বেশ ঘটা করেই সিম বিক্রি করছে বাংলালিংক। নিজেদের ব্র্যান্ডিং করা ভ্রাম্যমান ট্রাক-মাইক্রোবাসে সিম বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া তাবু বসিয়ে উৎসবের মতো করেও সিম বিক্রি করতে দেখা যায় অপারেটরটিকে।

অবৈধভাবে সিম কীভাবে নিবন্ধন হতে পারে এ বিষয়ে একটি পর্যবেক্ষণ জানান বাংলালিংকের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা । তিনি বলছিলেন, অনেক সময় কোনো সাধারণ মানুষ সিম কিনতে গেলে ডিলার-রিটেইলাররা ফিঙ্গার প্রিন্টে সিম নিবন্ধন করে ফেলেন ঠিকই কিন্তু গ্রাহককে বলে দেন সার্ভার জটিলতা, পরে আসেন। তারা সিমটি আর ওই গ্রাহকের কাছে বিক্রি করেন না।

সাধারণ অনেক গ্রাহকই এটা যাচাই করে দেখেন না যে তাদের এনআইডির বিপরীতে কতোগুলো সিম আছে, ফলে তিনিও বুঝতে পারেন না তার নিবন্ধিত সিম অন্য যায়গায় বিক্রি বা ব্যবহার হচ্ছে, বলছিলেন ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, এছাড়া অনেকগুলো আইডিতে যেমন একই ব্যক্তির আগের এনআইডি নম্বর ও স্মার্টকার্ডের নম্বরে আলাদা আলাদা হিসেবে সিম নিবন্ধন করা হচ্ছে। ফলে একই ব্যক্তি সীমার অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করতে পারছেন। অনেকক্ষেত্রে উদ্দেশ্যপ্রণোদিনভাবে এসব সিম ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে।

*

*

আরও পড়ুন