৫০ বছর পরের উপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে - মোস্তাফা জব্বার

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, স্বাধীনতার ৫১ বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বঙ্গবন্ধুর ৩ বছর সাড়ে ৭ মাস এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৮ বছরের শাসনকাল বাদে বাকীটা সময় ছিলো বাংলাদেশকে পেছনে ঠেলে দেবার ইতিহাস।

মন্ত্রী ডিজিটাল সংযুক্তিকে সোনার বাংলা গড়ার ডিজিটাল হাইওয়ে আখ্যায়িত করে বলেন ৫০ বছর পরের উপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর মিলনায়তনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে দেশের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

Techshohor Youtube

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো: খলিলুর রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং মূখ্য আলোচক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সিরাজ উদ্দিন, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: মশিউর রহমান প্রমূখ বক্তৃতা করেন।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়েও বঙ্গবন্ধু কর্তৃক আইটিইউ ও ইউপিইউ-এর সদস্যপদ অর্জন, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন, বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা এবং কারিগরি শিক্ষা প্রসারে উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ বপন করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের পাচ বছরে মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার সাধারণের নাগালে পৌঁছে দিতে এবং দেশে ভি-স্যাটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ প্রতিষ্ঠা, দেশে দশহাজার প্রোগ্রামার তৈরি ইত্যাদি যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর রোপন করা বীজটিকে চারা গাছে রূপান্তর করেন ।

মন্ত্রী বলেন এখন ই, সি ও এস এর দিন নেই। ইলেকট্রনিক বা সাইবার বা স্মার্ট শব্দগুলো ডিজিটাল শব্দ দিয়ে স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি শেষ হয়ে যায়নি। শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ঘোষণা করেছিলেন যে ২১ সালে বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে পরিচিত হবে। আমরা গর্বের সাথে সেই পরিচিতি পেয়েছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে সেদিন যেদিন আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারবো। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হলো সুখী-সমৃদ্ধ, শোষণ বৈষম্য হীন বাংলাদেশ।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব বঙ্গবন্ধুর জীবনের অপ্রকাশিত তথ্যগুলো সংগ্রহ এবং তা সংকলিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের উন্নয়নের তূলনা করে দেখান যে পাকিস্তান বাংলাদেশের ধারে কাছেও দাড়াতে পারছেনা। তিনি পাকিস্তার আমলে বাঙালীর প্রতি বৈষম্য করার দৃষ্টান্তগুলোও তুলে ধরেন।

মূখ্য আলোচক অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পরে মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস উপলক্ষে আয়োজিত শিশুদের বঙ্গবন্ধু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হস্তান্তর করেন।

সূত্র – প্রেস বিজ্ঞপ্তি

*

*

আরও পড়ুন