Samsung HHP Online Campaign

গ্রাহকদের দিনে ১৫০ কোটি এসএমএস পাঠায় চার মোবাইল অপারেটর

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দিনে গড়ে ১৫০ কোটিরও বেশি এসএমএস-নোটিফিকেশন পাঠায় দেশের চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর।

এসব এসএমএসর অনেকগুলো যেমন প্রয়োজনীয় আবার রয়েছে অনেক অপ্রয়োজনীয় এসএমএসও।

বিটিআরসির হিসাবে, দিনে গড়ে গ্রামীণফোন ৬৫ কোটি, রবি ৬২ কোটি ৮৫ লাখ, বাংলালিংক ২২ কোটি ও টেলিটক ২ কোটি এসএমএম-নোটিফিকেশন পাঠায়।

Techshohor Youtube

গড় হিসাবে দিনে এটি মোট ১৫১ কোটি ৮৫ লাখ এসএমএসে দাঁড়ায়।

গ্রাহককে পাঠানো এসব এসএমএসর মধ্যে রয়েছে মিসকল এলার্ট, ডিএন্ডডি, কলড্রপ, আমার টিউন ইত্যাদি সেবা চালু বা বন্ধকরণ এসএমএস, ডিজিটাল প্লাটফর্মে ওয়েবসাইট সাইন-আপ, লগইন, পাসওয়ার্ডের ওটিপি সংক্রান্ত এসএমএস, বিভিন্ন প্যাকেজ কেনা, নবায়ন এলার্ট, বন্ধ, সাবস্ক্রিপশন-আনসাবস্ক্রিপশনের নোটিফিকেশন ।

রয়েছে এফএফএস, ডিজিটাল প্লাটফর্ম, রিটেইলারসহ সব ধরনের রিচার্জ ও বিল পরিশোধ নোটিফিকেশন, বন্ধ সিম সক্রিয়করণ, ফোরজি সিমের অফার, সিম প্রতিস্থাপন, মালিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত নোটিফিকেশন, লয়ালিটি ও পার্টনারশিপ সংক্রান্ত নোটিফিকেশন, বিভিন্ন অভিযোগ বিষয়ে নোটিফিকেশন ।

এছাড়া সব প্রমোশনাল এসএমএস, বাল্ক এসএমএস, সরকারি তথ্যের এসএমএস, ডেটার পে গো এবং ভলিউম সংক্রান্ত নোটিফিকেশন, ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সংক্রান্ত নোটিফিকেশন, থার্ড পার্টি-সিপি টিভাস সংক্রান্ত, ইউটিলিটি বিল পে, ওয়ালেট সার্ভিস, পুরস্কার বার্তা, ব্যালেন্স ট্রান্সফার্, ভয়েস মেইল, ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলি সংক্রান্ত এসএমএস রয়েছে তালিকায়।

এদিকে এসএমএস নিয়ে গ্রাহকের বিরক্তি কমাতে বেশ উদ্যোগী বিটিআরসি। নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি মোবাইলে অনাকাঙ্খিত বিভিন্ন প্রমোশনাল এসএমএস বন্ধে গ্রাহকদের সচেতনও করে চলেছে। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে তারা।

এর কয়েক বছর আগেই গ্রাহকের বিরক্তি কমাতে প্রমোশনাল এসএমএস বন্ধের অপশন রাখতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি।

এরআগে যখন তখন এমনকি মাঝ রাতের পরও আসা এসএমএসের অত্যাচার থেকে গ্রাহকদের বাঁচাতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলো টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। তখন বিটিআরসি সে অনুযায়ী পদক্ষেপও নেয়।

অবশ্য এরও কিছুদিন আগে রাত ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত গ্রাহকদেরকে কোনো এসএমএস না পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছিলো বিটিআরসি।

*

*

আরও পড়ুন