হোয়াটসঅ্যাপে নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ মুছে যাবে। কীভাবে করবেন?

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আপনি যদি অধিক গোপনীয়তা বজায় রাখতে চান তাহলে মেসেজ মুছে দেওয়ার অপশনাল এই ফিচারটি চালু করতে পারেন। এটা চালু করলে আপনি একটি সময় ঠিক করে দিতে পারবেন যে সময় পার হওয়ার পর আপনার পাঠানো মেসেজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে। এটা হতে পারে মেসেজ পাঠানোর সময় থেকে ২৪ ঘন্টা, ৭ দিন বা ৯০ দিন। আপনি যদি সেটিংস থেকে Most Recent অপশন টি নির্বাচন করে রাখেন তাহলে এর মাধ্যমে শুধুমাত্র নতুন মেসেজগুলোই নিয়ন্ত্রিত হবে। এতে পূর্বে পাঠানো বা গ্রহণ করা মেসেজগুলো যথারীতি থাকবে। ইন্ডিভিজ্যুয়াল চ্যাট এর ক্ষেত্রে দুই জন ব্যাক্তির মধ্যে যে কেউ ই নির্দিষ্ট সময় পর মেসেজ মুছে দেওয়ার এই সুবিধাটি চালু বা বন্ধ করতে পারবে। আর গ্রুপ চ্যাট এর ক্ষেত্রে যেকোন অংশগ্রহনকারী এটি চালু বা বন্ধ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে অ্যাডমিন চাইলে গ্রুপ সেটিংস থেকে মেসেজ মুছে দেওয়ার এই সুবিধাটি চালু বা বন্ধ করার ক্ষমতা শুধুমাত্র অ্যাডমিনের জন্য সীমিত করে দিতে পারবে।

১/ যদি কোন ব্যাবহারকারী এই ২৪ ঘন্টা, ৭ দিন, বা ৯০ দিন সময়ের মধ্যে  হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন না করে তাহলে মেসেজটি মুছে যাবে। তবে নোটিফিকেশন এ মেসেজ এর প্রিভিউ হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন না করা পর্যন্ত দেখা যেতে পারে।

২/ যখন কোন নির্দিষ্ট মেসেজ এর উত্তর দেওয়া হয় তখন সেই মেসেজটি কোট করা থাকে। সেক্ষেত্রে যদি মুছে যাবে এরকম কোন মেসেজ এর উত্তর দেওয়া হয় তাহলে কোটেড মেসেজ হিসেবে সেটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ও থেকে যেতে পারে।

Techshohor Youtube

৩/ একইভাবে নির্দিষ্ট সময় পর মুছে যাবে এরকম কোন মেসেজ অন্য কোথাও ফরওয়ার্ড করা হলে সেখান থেকে মেসেজটি মুছে যাবে না, বরং থেকে যাবে।

৪/ যদি কোন ব্যাবহারকারী মেসেজ মুছে যাওয়ার আগেই ব্যাকআপ তৈরী করে রাখে, তাহলে মেসেজটি সেখানে থেকে যাবে। পরবর্তীতে যদি ব্যাবহারকারী মেসজটি ব্যাকআপ থেকে রিস্টোর করে তখন সেটা ডিলিট হবে।

শুধুমাত্র আপনার বিশ্বস্ত মানুষদের সাথেই এই সুবিধাটি ব্যাবহার করুন।

যেভাবে আপনার অ্যাকাউন্ট ফিচারটি চালু করবেন –

আপনি সকল নতুন চ্যাট এর জন্য নির্দিষ্ট সময় পর মেসেজ মুছে দেওয়ার ফিচারটি চালু করে দিতে পারেন।

আপনার আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড থেকে WhatsApp Settings এ যান। তারপর ধারাবাহিক ভাবে Account > Privacy > Default message timer এ গিয়ে সময় নির্ধারণ করে দিন।

সূত্র : ইন্টারনেট/তৌফিকুল করিম

*

*

আরও পড়ুন