vivo Y16 Project

চিপ ঘাটতিতে 'ছাড়খার' প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: মহামারীর সময়ে বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের বিক্রি বেড়ে যাওয়ার কারনে চিপের চাহিদাও বেড়ে গিয়েছে। এই বর্ধিত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ মেটাতে সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। সরবরাহ ঘাটতির কারনে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন কার্যক্রমে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে। কারন গাড়ি, ওয়াশিং মেশিন,স্মার্টফোন এবং এ ধরনের আরো অনেক পণ্য নির্মান সেমিকন্ডাক্টর বা চিপের উপর নির্ভরশীল।

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী গিনা রায়মন্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘তুমুল চাহিদা এবং বর্তমান ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটিজগুলোর পুরোপুরি ব্যবহার হওয়ায় একটি বিষয় পরিস্কার দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাটির সমাধানে আমাদের নিজস্ব ম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।’

গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর সেমিকন্ডাক্টরের চাহিদা ১৭ শতাংশ বেশি ছিলো।

Techshohor Youtube

এদিকে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেমিকন্ডাক্টর নির্মান ও গবেষণার জন্য ৫২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে গত মঙ্গলবার একটি আইন প্রকাশ করে ডেমোক্রেটরা। ইলেক্ট্রিক পণ্য তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটির ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন সরকারও। দেশে চিপ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে তহবিলের পেতে কংগ্রেসের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করছে তারা।

গত সপ্তাহে ইন্টেলের পক্ষ থেকে বলা হয় , তারা ওহিয়োতে চিপ নির্মানকারী ভবন তৈরি করতে ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। আশা করা হচ্ছে এটি হবে চিপ নির্মানকারী বিশ্বের বৃহত্তম কারখানা। এছাড়াও নভেম্বরে স্যামসাং এক ঘোষণায় জানায়, ১৭ বিলিয়ন ডলার ব্যায়ে কম্পিউটার চিপ কারখানা নির্মানের জন্য তারা টেক্সাসে টেইলর শহরের কাছে একটি জায়গা ঠিক করেছে। আশা করা হচ্ছে ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধের মধ্যেই কারখানাটিতে কার্যক্রম শুরু হবে। এটি হবে দক্ষিণ কোরিয়ার ইলেক্ট্রনিক জায়ান্টটির যুক্তরাষ্ট্রে এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। 

বিবিসি/আরএপি

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project