'বুমি ব্যবহার করে ডলার উপার্জন করছেন অনেকে'

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: সঙ্গীতে তারকাসম পেশাজীবন গড়ার ইচ্ছা আপনার, কিন্তু দক্ষতা কম। হতাশ হবেন না । বুমি নামের ওয়েবসাইট (boomy.com) এবং অ্যাপ আপনাকে অন্যন্য সঙ্গীত তৈরিতে সাহায্য করতে পারে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার নিজস্ব সঙ্গীত তৈরি করে দিবে বুমি। এমনকি আগে কখনো গান তৈরির অভিজ্ঞতা না থাকলেও বুমি ব্যবহার করে আপনি সহজেই সুরেলা গান গাইতে পারবেন।

বুমিতে একাধিক সুর থাকে। সেখান থেকে একটি বাছাই করে ‘ক্রিয়েট সং’ এ ক্লিক করার ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে আপনি চমৎকার একটি গান তৈরি ফেলতে পারবেন। অ্যাপটি খুব দ্রুত ট্র্যাকের কী, কর্ড এবং সুর বাছাই করতে পারে। যার মাধ্যমে গানকে আরো সুন্দর করে তোলা যায়। এছাড়াও কিছু ইনস্ট্রুমেন্ট যোগ অথবা বাতিলও করতে পারেন বুমি অ্যাপের মাধ্যমে। টেম্পো পরিবর্তন, ভলিয়ম সমন্বয়, প্রতিধ্বনি যোগ করা, শব্দকে আরো প্রানবন্ত করে তোলা এবং কিছু কিছু ভোকাল কমানোও যায়।

২০১৮ সালের শেষের দিকে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক বুমির পথচলা শুরু। বুমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান মাইকেল মিশেল। দাবি করা হচ্ছে বুমি অ্যাপ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপি প্রায় ৫০ লাখ গান তৈরি করা হয়েছে। বুমি ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্যবহারকারীদেরকে স্পটিফাইসহ অন্যান্য মিউজিক স্ট্রিমিং সাইটগুলোয় তাদের গান উঠানোর সুযোগ করে দেয়। ফলে এসব সাইটে যতবার গানগুলো বাজানো হবে ততবার অর্থ পাওয়া যাবে। বুমি অ্যাপ ব্যবহার করে তৈরি প্রতিটি রেকডিংয়ের কপিরাইট এই কোম্পানিটির এবং প্রাথমিকভাবে সব অর্থ অ্যাপটির কাছেই আসে। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যিনি গানটি তৈরি করেছেন স্ট্রিমিং রয়্যালিটির ৮০ শতাংশ তাকে দেয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বুমির প্রতিষ্ঠাতা মিশেল আরো জানিয়েছেন বিভিন্ন স্ট্রিমিং সাইটে তাদের ১০ হাজারের বেশি ব্যবহারকারীর এক লাখের উপরে গান প্রকাশ হয়েছে।  বিবিসিকে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৮৫ শতাংশেরই আগে গান তৈরির অভিজ্ঞতা নেই।  এখন আমরা এমনও ব্যাক্তির খোঁজ পেয়েছি যারা বুমি ব্যবহার করে কোভিডের সময় মাসে ১০০ থেকে ২০০ ডলার উপার্জন করেছেন।’

Techshohor Youtube

বুমির মাধ্যমে তৈরি গানগুলো কেমন শোনায়?

বলা হয়ে থাকে এর শব্দ খুব বেশি কম্পিউটার জেনারেটেড। প্রকৃত যন্ত্র ব্যবহার করে তৈরি গানের সঙ্গে সহজেই আলাদা করা যায়। এছাড়া এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিউজিক গঠন নতুন কিছু নয়। ১৯৮০ সালের দিকে ডেভিড কোপ এধরনের একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছিলেন।

সূত্র: বিবিসি/আরএপি/

*

*

আরও পড়ুন