Techno Header Top and Before feature image

ইভ্যালি সিইও-চেয়ারম্যানের মুক্তিসহ গ্রাহক মার্চেন্টদের ৭ দাবি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তিসহ ৭ দাবি দিয়েছে গ্রাহক ও মার্চেন্টরা।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (‌ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দা‌বি তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ইভ্যালির গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সমন্বয়ক মো. নাসির উদ্দিন এবং কো-সমন্বয়ক সাকিব হাসান লিখিত বক্তব্যে জানানো সাত দাবির মধ্যে রয়েছে,

ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি, ইভ্যালি সিইওকে নজরদারির মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দিয়ে ব্যবসায় করার সুযোগ দেয়া, স্ক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার আগে অর্ডার করা পণ্য ডেলিভারি দিতে ইভ্যালি সিইও’র চাওয়া সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে চাওয়া, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ই-ক্যাব, পেইমেন্ট গেটওয়ে, মার্চেন্ট এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয় কমিটি গঠন, করোনাকালে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্লাটফর্মগুলোকে প্রণোদনা দেয়া, ই-কমার্স প্লাটফর্মগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক করা এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরি এবং লাখ লাখ কর্মসংস্থানের কারণে ই-কমার্সকে সরকারিভাবে সুরক্ষা দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে মার্চেন্টদের পাশাপাশি অনেক সাধারণ গ্রাহক তাদের কেনাকাটার ইনভয়েস নিয়ে সমবেত হয়েছিলেন।

তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ইভ্যালির প্রায় ৭৪ লাখ গ্রাহক ও প্রায় ৩৫ হাজারের বে‌শি বিক্রেতা এবং ৫ হাজারের বেশি স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারি ইভ্যালির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রথম সারির ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে ভোক্তাদের পণ্য ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং নতুন হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরিতে ইভ্যালির ভূমিকা অগ্রগণ্য।

গ্রাহক ও মার্চেন্টরা বলছেন, ইভ্যালির ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু থাকলে বাংলাদেশের জিডিপি বিশ্বের প্রথম ১০ দেশের মধ্যে থাকবে।

এদিকে ইভ্যালি সিইও এবং চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তারের দিন হতে তাদের মুক্তির দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশসহ ননা কর্মসূচি করে আসছেন গ্রাহক ও মার্চেন্টরা।

বিক্ষোভ-সমাবেশ করা গ্রাহক ও মার্চেন্টরা বলছেন, ইভ্যালি হতে তারা পণ্য পেয়েছেন, ব্যবসা করে লাভবান হয়েছেন। যে অর্ডার ও পাওনা বাকি আছে তা পেতে ইভ্যালিকে সময় দিতে তারা রাজি। এতেই তারা তাদের পণ্য ও পাওনা পাবেন বলে বিশ্বাস করেন। এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে পণ্য ও পাওনা দেয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়েছে।

ইভ্যালি উদ্যোক্তা ও গ্রাহকরা বলছেন, ইভ্যালি সিইও ও চেয়ারম্যানের পাসপোর্ট জব্দ, তাদের মানিলন্ডারিং বা টাকা পাচারের অন্য কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। ইভ্যালি সরকারের সব নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চেয়েছিলো। তারা পাওনা পরিশোধের জন্য সময় চেয়েছিলো। কিন্তু সেই সময় তাদের দেয়া হয়নি।

তাদের দাবি, ইভ্যালি সিইও ও চেয়ারম্যানকে সময় দেয়া হোক, নিয়ম-কানুন মেনে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হোক। আর দেশীয় এই ই-কমার্সটির বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র হয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেয়া হোক।

*

*

আরও পড়ুন