Techno Header Top and Before feature image

পাঠাওয়ে বিনিয়োগ করে ফেঁসেছে গো-জেক, ১৪৪ কোটি টাকা লোকসান

Evaly in News page (Banner-2)

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম প্রতিষ্ঠান গো-জেকসহ পাঠাওয়ে বিনিয়োগ করা ১৭ মিলিয়ন ডলার বা ১৪৪ কোটি টাকাকে লোকসান হিসেবে দেখছে।

গো-জেক পাঠাওকে দেয়া ১৭ মিলিয়ন ডলার ‘রাইট অফ’ ঘোষণা করেছে। এর মানে দাঁড়ায় গো-জেক পাঠাওকে এই পরিমাণ অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত লোন হিসেবে দিয়েছিলো। যেখানে ওই সময়ের পর এই অর্থ শেয়ার মূল্যায়ন বা রূপান্তর হবে।

কিন্তু পাঠাওকে এখন তারা ‘ডুবতে’ থাকা কোম্পানি হিসেবে মূল্যায়ন করছে যেখানে এই টাকা উঠে আসার কোনো আশা তাদের নেই। কারণ এই পরিমাণ অর্থের শেয়ার দেয়ার অবস্থাও পাঠাওয়ের নেই।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক গণমাধ্যম টেকইনএশিয়ার এক বিশেষ প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টেকইনএশিয়ার ওই প্রতিবেদনে, গো-জেক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

গো-জেক এখনও পাঠাওয়ের বিনিয়োগকারী কিনা টেকইনএশিয়ার এমন জিজ্ঞাসায় উত্তর দেয়নি গো-জেক এবং পাঠাও সিইও।

স্টার্টআপ বিশেষজ্ঞ ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টরা বলছেন, এটা ‘ convertible debt’ মনে হচ্ছে। যার অর্থ একটি নিদির্ষ্ট সময় পর্যন্ত লোন দেয়া। এতে ‘শেয়ার কেনা’ হয়নি।

‘এটা খুব দু:খজনক যে পাঠাওয়ের ক্ষেত্রে এমনটা হলো। এতো দিনে পাঠাও ইউনিকর্ণ হওয়ার কথা ছিলো কিন্তু তা এখন ১০০ মিলিয়ন ডলারের কোম্পানিতেও দাঁড়ায়নি’ বলছিলেন তারা।

তারা বলছেন, দেশের স্টার্টআপে বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পাঠাও খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে।

২০১৮ সালে গো-জেক সিঙ্গাপুরের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ওজেক মটর বাংলাদেশের মাধ্যমে পাঠাও-কে ১৩ মিলিয়ন ডলার লোন হিসেবে দেয়। ২০১৯ সালে পাঠাওকে আরও ৪ মিলিয়ন ডলার দেয় তারা। বছর শেষে ১৭ মিলিয়ন ডলারকে তারা ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করতে থাকে।

কার্যক্রম কমে আসায় ২০২০ সালের এপ্রিলে কর্মীদের ৩০ হতে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কেটে দেয় পাঠাও। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে তখন কর্মীদের দুই ঈদের কোনো বোনাসও দেয়নি তারা।

তার আগে ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতে বিনিয়োগের অভাবে তিন শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করে পাঠাও।

পাঠাও কুরিয়ার দিয়ে তাদের পথচলা শুরু করে পরে পাঠাও রাইড শেয়ারিং, পাঠাও ফুড সার্ভিস শুরু করে। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে তাদের বাইকগুলোতে যাত্রী বহন শুরু হয়। তখন ফোনে যাত্রীদের অবস্থান ও গন্তব্য জেনে সে তথ্য চালকদের (রাইডার) কাছে সরবরাহ করে সেবাটি দেওয়া হতো। এরপর তৈরি করা হয় অ্যাপ। অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসে অ্যাপ ‘পাঠাও’।

এডি/২০২১/জানুয়ারি০৮

আরও পড়ুন

সরেজমিন : পিছিয়ে পড়ছে পাঠাও

ধুঁকতে থাকা পাঠাও একীভূত হচ্ছে শিওর ক্যাশের সঙ্গে

কর্মীদের ৪১% পর্যন্ত বেতন ছাঁটলো পাঠাও

উবারে ১৫টি পাঠাওয়ে ২টি গাড়ি চালানোর অনুমতি

আরও বিনিয়োগ পাচ্ছে পাঠাও!

ফোর্বস এশিয়ার সামাজিক উদ্যোক্তা তালিকায় পাঠাওয়ের ইলিয়াস

*

*

আরও পড়ুন