Techno Header Top and Before feature image

সি-ব্যান্ড : ফাইভজির সঙ্গে এর সম্পর্ক কী?

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সি-ব্যান্ড পেতে যুক্তরাষ্ট্রের আধ-ডজন টেলিকম প্রতিষ্ঠান মরিয়া। প্রয়োজনে তারা আট হাজার কোটি ডলার খরচেও রাজি আছে। সি-ব্যান্ড হচ্ছে এক ধরনের এয়ারওয়েভ গুচ্ছ বা ফ্রিকোয়েন্সি, যা যথাযথ ফাইভজি সেবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

ওয়ারলেস টেস্টিং প্রতিষ্ঠান রহডি অ্যান্ড শাওয়ার্জের মতে, সি-ব্যান্ড বলতে সাধারণত ৪ থেকে ৮ গিগাহার্জের মধ্যকার সব ফ্রিকোয়েন্সিকে বোঝানো হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে যে সি-ব্যান্ডের কথা বলা হচ্ছে, এটি মূলত ৩.৭ থেকে ৪.২ গিগাহার্জের ফ্রিকোয়েন্সি।

বিশ্বের অনেক দেশের টেলিকম প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে সি-ব্যান্ড পাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। সম্ভবত এটিই বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফাইভজি ব্যান্ড ফ্রিকোয়েন্সি।

দ্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) সি-ব্যান্ডকে তিনটি অংশে ভাগ করেছে।
যেমন–এন৭৭, এন৭৮ ও এন৭৯। ইউরোপীয় ও এশীয় অনেক দেশে এন৭৮ ব্যবহার হচ্ছে, যার গিগাহার্জ সীমা ৩.৩ থেকে ৩.৮। যুক্তরাষ্ট্রে আগামীতে ব্যবহার হবে এন৭৭ (৩.৩-৪.২ গিগাহার্জ)। এই ব্যান্ডটি জাপানে ইতোমধ্যে ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর মানে এই ব্যান্ডের নেটওয়ার্ক অনুষঙ্গ ও উপযোগী হ্যান্ডসেটও দেশটিতে চলছে।

৬ গিগাহার্জেরও কম ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে বড় একটি শহরে নিরবচ্ছিন্ন ফাইভজি নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা সম্ভব। এর চেয়ে কম ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ে কাজ করলে সেক্ষেত্রে টাওয়ার সংখ্যার হেরফের করতে হবে।

বর্তমানে মার্কিন মোবাইল অপারেটর এটিঅ্যান্ডটি ও ভেরাইজন ফাইভজির নামে যা দিচ্ছে, তা এলটিই-এর চাইতে কোনোভাবেই বেশি গতির না।

সূত্র : ইন্টারনেট, টিআর/ডিসেম্বর ৩১/২০২০/১৩৩০

*

*

আরও পড়ুন