Techno Header Top and Before feature image

চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধ ২০২০ : বলি চীনের প্রযুক্তি খাত

usa vs china-techshohor
ছবি : ইন্টারনেট
টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে চীনের প্রযুক্তি খাতকে।

সরাকারের কাছে তথ্য পাচারের অভিযোগে আগেই নিষিদ্ধ হয়েছে হুয়াওয়ে। এ বছর ঝড় বয়ে গেছে টিকটক ও উইচ্যাটের ওপর দিয়ে। এসএমআইসিকে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ২০২০ সালের শেষেও এ ধারা অব্যাহত থাকলো।

এসএমআইসি

চলতি মাসেই সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশনসহ (এসএমআইসি) ৬০ চীনা কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এমআইসি এর দাবি, তারা কখনও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম ভঙ্গ করেনি। হুয়াওয়ের জন্যেও কোনো চীপ উৎপাদন করেনি। তবে এসব দাবি মানতে চায়নি যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রসাশন সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছে, সাংহাইভিত্তিক কোম্পানিটি চীনের সামরিক বাহিনীর হাতে চীপ তুলে দিচ্ছে।

চীপ তৈরির জন্য এমআইসি যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি অ্যাপ্লাইড ম্যাটেরিয়ালস ও ল্যাম রিসার্চের ওপর নির্ভরশীল।

হুয়াওয়ে

এক সময়ে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন সরবরাহকারী কোম্পানিটি এখন ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ব্যস্ত। নভেম্বরেই তারা অনার সাবব্র্যান্ডটি বিক্রি করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নিয়ে চীপ তৈরির সুযোগ আগেই হারিয়েছে হুয়াওয়ে। তাই এখন চীপ উৎপাদনও তারা বন্ধ করে দিচ্ছে। ফাইভজি নেটওয়ার্ক স্থাপনের একের পর এক চুক্তিও তাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের চাপ পড়ে যুক্তরাজ্যেও হুয়াওয়ের ফাইভজি স্থাপনের কাজ বাতিল হয়েছে।  সুইডেশ সরকারও হুয়াওয়ের সঙ্গে ফাইভজি স্থাপনের চুক্তি বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

টিকটক

বাইটড্যান্সের শর্টভিডি তৈরির অ্যাপ টিকটককেও নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র। অনেক শর্তে রাজি হয়ে ওরাকল (১২.৫%) ও ওয়ালমার্ট (৭.৫%) কোম্পানির কাছে এ বছর শেয়ার বিক্রি করে নিষেধাজ্ঞা এরিয়েছে টিকটক।

উইচ্যাট

টিকটকের শেষরক্ষা হলেও উইচ্যাট নিজেকে রক্ষার কোনো সুযোগ পায়নি। যুক্তরাষ্ট্রে-চীনের বাণিজ্যযুদ্ধের বলি হয়েছে অ্যাপটি।

এছাড়াও, সীমান্তে সামরিক উত্তেজনার জের ধরে টেনসেন্ট কোম্পানির উইচ্যাট অ্যাপ ও পাবজি গেইমসহ ২০০ চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার।

ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণের জন্য আগামী বছর চীন সরকারও নতুন আইন জারি করবে। বলা বাহুল্য, চীন সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ালে যুক্তরাষ্ট্রেরও অস্বস্তি বৃদ্ধি পাবে। নতুন সরকার বিষয়টিতে কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ইন্টারনেট অবলম্বনে এজেড/ডিসেম্বর ২৬/২০২০/১৭.১৮

*

*

আরও পড়ুন