Techno Header Top and Before feature image

জীবন মৃত্যুর পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে জিন

করোনাভাইরাস। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ মানুষই সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে অনেকেই করোনাভাইরাসের আক্রমণে বেশ কাবু হয়ে যান।

অনেক সময় কম বয়সী রোগীকেও জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও মাথাব্যথার মতো লক্ষণগুলো অনেক বেশি ভোগায়। কারো কারো আবার কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না।

কেনো ব্যক্তিভেদে ভাইরাসের প্রভাব কম-বেশি হয়ে থাকে তা একটি জটিল রহস্য। এই রহস্য সমাধানে একটি গবেষণা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য। হসপিটালের ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকা ২ হাজার ২০০ রোগীর উপর জরিপ চালিয়ে জানা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু জিনের কারণেই তারতম্য হয়ে থাকে।

কোভিড-১৯ এর সঙ্গে রোগী লড়তে পারবে কিনা তা নির্ভর করে নির্দিষ্ট একটি জিনের উপর।

জেনোমিক নামের গবেষণা প্রকল্পটির নেতৃত্বে থাকা ড. কেনেথ বাইলি জানিয়েছেন, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি বের করতে এ তথ্য বেশ সহায়ক হবে। ভ্যাকসিন বের হলেও জিন ভেদে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসার উদ্ভাবন চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরো জানান, ভ্যাকসিন বের করলে রোগীর সংখ্যা কমবে। তবে ডাক্তারদেরকে আরও কয়েক বছর এই রোগের চিকিৎসা দিতে হবে। ফলে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা বের করা খুবই জরুরি।

যুক্তরাজ্যের হসপিটালে ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকা ২০০ রোগীর উপর গবেষণা চালান বিজ্ঞানীরা। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জিনের সঙ্গে সুস্থ ব্যক্তির জিন মিলিয়ে দেখা হয়। সেখানে দেখা যায়, টিওয়াইকে২ নামের একটি জিনই প্রধান পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে।

এই জিনই রোগের সঙ্গে লড়াই করে। তবে এতে ত্রুটি থাকলে ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়াও, ক্রোমোজম ৩ এর কিছু জিন তীব্র লক্ষণ প্রকাশের জন্য দায়ী। জিনের ভূমিকা নির্ধারণ করতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের উপর গবেষণা চালাতে চান কেনেথ বাইলি।

তিনি আরও বলেন, ভুল করার মতো সময় নেই আমাদের হাতে নেই। কোন চিকিৎসা পদ্ধতি কাজে লাগবে তা খুব দ্রুতই বের করতে হবে।

*

*

আরও পড়ুন