Techno Header Top and Before feature image

প্লেন যাত্রার একাল-সেকাল

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিজনেস ক্লাস। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আজকের প্লেন যাত্রা আগের তুলনায় অনেক পাল্টেছে। তবু যাত্রীদের আভিযোগের শেষ নেই।

পুরানো দিনের প্লেন যাত্রা সম্পর্কে ধারণা থাকলে তারা যে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করতেন তাতে সন্দেহ নেই। গাদাগাদি , বাসের চেয়ে ছোট সিট, আঁটোসাটো জায়গায় পা রাখার ব্যবস্থা থেকে আজকের অবস্থানে আসতে প্রায় ১০০ বছর লেগেছে।

বিজনেস ক্লাসের যাত্রীদেরকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চল শুরু হয় ১৯২০ সালের দিকে ফ্লাইং বোটসের মাধ্যমে। এই ‘সি প্লেন’ ছোট হওয়ায় যাত্রী থাকতো কম। ফলে হাত পা ছড়িয়ে বসার জন্য যথেষ্ট জায়গা পাওয়া যেতো।

প্যান আমেরিকান এয়ারওয়েজের সি প্লেন ‘মার্টিন ক্লিপার’। ছবি : ইন্টারনেট

এক সময় প্লেনে ধূমপান করায় কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিলো না। ১৯৭৭ সালে সিগার ও পাইপ নিষিদ্ধ হয়। সিগারেট নিষিদ্ধ হয় ২০০০ সালে। বর্তমানে প্লেনে উঠেই সিট বেল্ট বাঁধতে হয়। ১৯৭০ সাল পর্যন্ত সিট বেল্ট পরা বাধ্যতামূলক ছিলো না।

প্লেনে উঠেও সিগারেটে টান দিতে পারতেন যাত্রীরা। ছবি : ইন্টারনেট

বিজনেস ক্লাসের সিট ছিলো প্রশস্ত। কিছু প্লেনে সিটের সামনে টেবিল থাকতো। সেখানে নির্বিঘ্নে খাওয়া দাওয়া করা যেতো। তবে ১৯৮০ সালের আগে বিজনেস ক্লাস জনপ্রিয় ছিলো না। প্লেনে হাঁটা চলার জন্য করিডোর প্রশস্তই ছিলো।

১৯৬০ সালের দিকে ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্সদের জন্য দুটি নিয়ম ছিলো। এক, ৫.৪ ইঞ্চির বেশি লম্বা হওয়া যাবে না। দুই, ওজন হতে হবে ১০০ পাউন্ডের কম।

পুরুষ যাত্রীদের মানসিক চাহিদা পূরণ ‘স্টুয়ার্ডডেসেস’ নিয়োগ দেওয়া হতো। ১৯৭০ সালের দিকে বৈষম্যমূলক এই নীতি আইন করে বন্ধ করা হয়।

ইকোনোমিক ক্লাসে একটি দৃশ্য। ছবি : ইন্টারনেট

প্লেনে উঠলে অনেকেরই মাথা ঘুরতো, বমি হতো আবার অনেকে খুব উদ্বিগ্ন থাকতেন। এসব সমস্যা সামলাতে ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্স হিসেবে নার্সদের নিয়োগ দেওয়া হতো। তাদের পরনে থাকতো ইউনিফর্ম।

১৯৬০ এর দশকে ‘স্টুয়ার্ডডেসেস’-দের পোশাক। ছবি : ইন্টারনেট

পরবর্তীতে এই ইউনিফর্মকে ফ্যাশনেবল করে তোলা হয়। ১৯৬০ সালে দিকে ‘স্টুয়ার্ডডেসেস’-দের পোশাকের দৈর্ঘ্য কিছুটা কমানো হয়। বর্তমানে ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্সদেরকে আর সে পোশাক পড়তে হয় না।

সিএনবিসি অবলম্বনে এজেড/ ডিসেম্বর ০৮/২০২০/১১৫২

*

*

আরও পড়ুন