Techno Header Top and Before feature image

হ্যাজমেটের বাস্তবতা

ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: গত দুমাস ধরে ইয়াজিন আল কায়সি নামে একজন উদ্ভাবক কানাডার টরন্টো সাবওয়েতে একটি উদ্ভট হ্যালমেট পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউ কেউ এটি দেখে খুবই উৎসাহিত হয়েছেন, আবার কেউ কেউ এটির নাম দিয়েছেন ম্যাড হেলমেট।

কাইসির উদ্ভাবিত হেলমেটটি আসলে একটি হ্যাজমেট বা হ্যাজার্ডাস ম্যাটেরিয়াল হেলমেট। অর্থাৎ, এই হেলমেট যে কোনও ক্ষতিকারক পদার্থ থেকে মানুষের উন্মুক্ত ত্বক এবং শ্বাসতন্ত্রকে রক্ষা করে। হেলমেটটি শরীরের উপরিভাগ জুড়ে থাকে এবং সামনে একটি স্বচ্ছ পর্দা থেকে। যার মাধ্যমে মানুষের পুরো মুখাবয়ব বোঝা যায়। যা মানুষের অভিব্যাক্তি বুঝতে সহায়ক। আর পেছনের দিকে আছে এই হেলমেটে ব্যবহৃত সার্কিট, ব্যাটারিসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত উপাদান।

করোনাভাইরাস মহামারির পর হ্যাজমেট ধারনার হেলমেটগুলোকে কনজ্যুমার পণ্য হিসেবে বাজারে অনতে অনেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কেউ কেউ মটরসাইকেলের হেলমেটের মতো করে বানাচ্ছেন, কেউ কেউ বানাচ্ছেন অনেকটা ফেইস শিল্ডের মতো করে।

দেখতে হেলমেটগুলো ডিস্টোপিয়ান ও পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপ্টিক মনে হলেও উদ্ভাবকরা এই পণ্যের ব্যবহারিক দিকটি নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী। তারা মনে করেন মাস্ক পরে থাকলে মানুষের অভিব্যাক্তি বোঝা যায় না। যা কার্যকর যোগাযোগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তবে হ্যাজমেটের ধারনাকে গণমানুষের ব্যবহারউপযোগী করার পেছনে কয়েকটি বাধা রয়েছে। প্রথমত, এতে ব্যাটারি প্রযুক্তি আছে যা বাতাসকে বিশুদ্ধ করে। সঙ্গে আছে মাইক্রোফোন যা কথা বলায় সহায়ক এবং ফ্যান যা ভেতরের পরিবেশকে উষ্ণ হতে দেয় না। এসবের একটিতেও যদি গোলমাল বাধে তাহলে এটি পরে থাকা খুবই কষ্টকর এবং অকার্যর। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত দাম এবং প্রতিবার ব্যবহারের পর পরিষ্কারের ঝামেলাও আছে।

এদিকে শোনা যাচ্ছে করোনার টিকা খুবই কাছাকাছি। বৈজ্ঞানিকরা অনুমান করছেন, আগামী শীতের আগে করোনা মহামারী অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তাই এই ধরনের হ্যালমেটের ভোক্তাকেন্দ্রিক বাস্তব প্রয়োজন আর থাকবে না।

তবে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সামনের দিনগুলোতে এই ধরনের উপাদানের চাহিদা বাড়তে বলেও মনে করেন অনেকেই।

বিবিসি অবলম্বনে এমআর/নভে ১৯/২০২০/১১২১

*

*

আরও পড়ুন