Header Top

ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের আয় অর্ধ কোটি টাকা

usic-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : শুধু সেবা নয়, দেশের প্রান্তিক ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রগুলো (ইউআইএসসি) হতে বেশ ভাল অংকের আয়ও হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে পাঁচ মাসে দুইশত কেন্দ্রের মধ্যে ১১৩টিতে আয় হয়েছে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে  বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিল(বিসিসি) মিলনায়তনে ‘গ্রামীন সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা এবং ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র’ প্রকল্প আয়োজিত ‘ইউআইএসসি এর সম্ভবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব তথ্য জানায় সরকারের এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) ।

ইউআইএসসির উদ্যোক্তা পরিচালকদের প্রণোদনা প্রদান বিষয়ে এটুআই প্রকল্পের ডোমেইন স্পেশালিস্ট উম্মে সালমা তানজিয়া জানান, প্রকল্পটি সার্ক ডেভেলোপমেন্ট ফান্ডের আওতায় বাংলাদেশ, ভূটান, মালদ্বীপ এবং নেপালে একযোগে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ৩১টি জেলার ১০১ টি উপজেলার দুইশতটি দূর্গম ইউনিয়নে ইউনিয়নে তথ্যসেবা স্থাপন করে গ্রামীণ জনগণকে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন : সরকারি কর্মকর্তাদের ই-সেবায় প্রশিক্ষণ দিতে এটুআই ও বিপিএটিসি’র চুক্তি

usic-techshohor

ওই কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ জনগণকে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ থেকে আয়ও হচ্ছে সরকারের। গত পাঁচ মাসে ১১৩ কেন্দ্রে মোট আয় হয়েছে ৪৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

তানিজয়া জানান, এ প্রকল্পের জন্য মোট বরাদ্ধ নয় কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে যন্ত্রপাতি সরবরাহ বাবদ সাত কোটি ২২ লাখ টাকা, কর্মচারীদের বেতন, জনসচেতনতা ও অন্যান্য কর্মসূচীতে দুই কোটি ২২ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক ইউআইএসসি’তে দুটি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টার, একটি স্ক্যানার, একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, দুই বছরের খরচসহ দুটি মডেম এবং আসবাবপত্রসহ ৫৮টি ইউআইএসসিতে সোলার প্যানেল সরবরাহ করা হয়েছে। আরো ২৭টি সোলার প্যানেল দেয়ার উদ্যোগও হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের ৯৬ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে জানিয়ে তানজিয়া জানান, চলতি বছর ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ট্রেনিংয়ের বাকি চার শতাংশ কাজও শেষ করা হবে।

সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব নজরুল ইসলাম খান জানান, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করে একজন ব্যক্তি তার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে আসতে পারে। এখন আগের তুলনায় সেবা গ্রহন অনেক সহজ ও সুলভে পাওয়া যায়।

সেমিনারে বক্তারা জানান, অর্থের দিক দিয়ে এটি ছোট প্রকল্প হলেও এর গুরুত্ব অনেক। এই প্রকল্পের মাধ্যমেই সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তথ্য প্রযুক্তির সেবা পোঁছে দিতে পেরেছে।

এদিকে সার্কভূক্ত দেশ ভূটান, মালদ্বীপ এবং নেপাল ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রমের অনুরূপ অনলাইন মনিটরিং পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ও আইসিটি বিভাগের যুগ্ম-সচিব (প্রশাসন) সুশান্ত কুমার সাহার সভাপতিত্বে বিভিন্ন জেলার এডিসি (আইসিটি), সহকারি কমিশনার(আইসিটি), প্রোগামার ও সহকারী প্রোগ্রামাররা সেমিনারে অংশগ নেন।

– ফখরুদ্দিন মেহেদী

আরও পড়ুন
উন্মুক্ত হচ্ছে টিম ইঞ্জিনের বাংলা ওসিআর, এটুআই দেবে বিনামূল্যে

বিশ্বে এটুআই এখন মডেল

ডিজিটাল বাংলাদেশকে জানাতে কূটনীতিকদের জন্য এটুআই’য়ের কর্মশালা

*

*

আরও পড়ুন