চলে গেলেন স্যামসাংয়ের চেয়ারম্যান

স্যামসাং গ্রুপের চেয়ারম্যান লি কুন-হি। ছবি : বিবিসি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্যামসাং গ্রুপের চেয়ারম্যান লি কুন-হি মারা গেছেন। রোববার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অন্তিম সময়ে পরিবারকে পাশে পেয়েছেন লি কুন-হি। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু জানায়নি তার পরিবার। এর আগে ২০১৪ সালে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিলো তার। তারপর থেকেই শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।

জীবদ্দশায় তিনি স্যামসাংকে বিশ্বের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কোম্পানিতে পরিণত করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন লি। তার সম্পদের পরিমাণ ২১ বিলিয়ন ডলার।

Techshohor Youtube

বিবৃতিতে স্যামসাং জানায়, স্যামসাংয়ের সবাই তাকে মনে রাখবে। একসঙ্গে পথ চলতে পারায় আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

১৯৩৮ সাল স্যামসাং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার বাবা লি বাইয়ুং-চুল। বাবা-মায়ের তৃতীয় সন্তান লি কুন-হি পারিবারিক এই ব্যবসায় যুক্ত হন ১৯৬৮ সালে। বাবার মৃত্যুর পর ১৯৮৭ সালে তিনি স্যামসাংয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

সে সময়ে সস্তা ও কম মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতো স্যামসাং। লি এসে এই চিত্র পুরোপুরি বদলে দেন। নতুন করে ঢেলে সাজান পুরো কোম্পানি।

কর্মীদেরকে ১৯৯৩ সালে তিনি বলেছিলেন, চলো, বউ-বাচ্চা ছাড়া সবই বদলে ফেলি। সে সময় স্যামসাংয়ের পুরো মোবাইলফোনের স্টক পুড়িয়ে ফেলা হয়। স্টকে ছিল দেড় লাখ হ্যান্ডসেট।

মিডিয়ায় খুব একটা কথা বলতেন না লি, তাই নিভৃতচারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্যামসাংয়ের হাত ধরেই দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনতে সক্ষম হয় দক্ষিণ কোরিয়া।

শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে তিনি ২০০৮ সালে চেয়ারম্যানের পদ ছাড়তে বাধ্য হন। ২০০৯ সালে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমায় তিনি ৩ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি এড়াতে সক্ষম হন। পরের বছর আবারও স্যামসাংয়ে ফিরে আসেন চেয়ারম্যান হিসেবে।

বিবিসি অবলম্বনে এজেড/ অক্টোবর ২৬/২০২০/১১৪৭

আরও পড়ুন –

একদিনে ২ ফ্ল্যাগশিপ আনছে স্যামসাং

স্যামসাংয়ের লক্ষ্য ৬০০ মেগাপিক্সেল

ফোল্ডেবলের স্ক্রিন নিজেরাই বানাবে স্যামসাং

করোনাভাইরাস রোধে ফোন পরিষ্কারে স্যামসাংয়ের পরামর্শ

বাংলাদেশকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে স্যামসাং

*

*

আরও পড়ুন