Techno Header Top

শিক্ষাখাতে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সেমিনার

এটুআই-এর এডুকেশন টেকনোলজি এক্সপার্ট রফিকুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাতিসংঘের নির্ধারিত এসডিজি-৪ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষাখাতে প্রযুক্তির ব্যবহার সহায়ক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক সেমিনারের বক্তারা।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে অনলাইনে ১০ দেশের অংশগ্রহণে সেমিনারটির আয়োজন করা হয় বৃহস্পতিবার।

সেমিনারে ‘গেস্ট-অব অনার’ হিসেবে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এবং পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন চট্রগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিস ফ্যাকাল্টি’ ডিন ড. মুহাম্মদ রিয়াজ মাহমুদ ও ভারতের দ্য মিলেনিয়াম স্কুলের অধ্যক্ষ ড. গুরুদ্বীপ সিং।

সেমিনারে বক্তারা অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষকদের জন্য আন্তঃদেশীয় প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরামর্শ দেন। এছাড়া কারিগরি এবং দক্ষতা ভিত্তিক ই-লার্নিংয়ের পাশাপাশি শিশুদের পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন। 

সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। তিনি বলেন, এসডিজি-৪ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাঝে জেন্ডারভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে সকলের অংশগ্রহণ এবং দক্ষতা ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। 

চট্রগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্টস এন্ড হিউম্যানিটিস ফ্যাকাল্টি’ ডিন ড. মুহাম্মদ রিয়াজ মাহমুদ বলেন, এসডিজি-৪ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের উচিত সামাজিক ও মানবিক জাতি গঠন এবং জব মার্কেটের বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

পর্যবেক্ষকের বক্তব্যে ভারতের দ্য মিলেনিয়াম স্কুলের অধ্যক্ষ ড. গুরুদ্বীপ সিং বলেন, যে কোন সংকটেও যাতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা যায়, এমন শিক্ষা ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্রগ্রামের জামালখান কুসুম কুমারী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক লুতফুন্নেসা খানম। চট্রগ্রাম কলেজ অব সাইন্স-এর ইংরেজি প্রভাষক মো. শিহাবুল আনোয়ারের তত্বাবধানে মূল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ) চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন, ভারতের সরকারি স্কুল শিক্ষক মনীষা পাভি, মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রইসউদ্দীন খান, ভারতের বিল্লাবং আন্তর্জাতিক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অদিতি কালকারনি, আমেরিকার কলেজ অব এডুকেশন-এর অধ্যাপক ড. শ্যারন সুবরিনাথ, পেরুর পাবলিক ইন্সটিটিউটের ইংরেজি বিভাগের প্রধান এলিজাবেথ এম. চুরাতা চামবি, ইংল্যান্ডের এডুকেশন এন্ড সোশ্যাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষক ড. স্টিফেন এল. কারলি, নাইজেরিয়ার ক্যালিব ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক প্রিন্স অলিসিগুন মাইকেল আদিনিই, অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের পিএইচডি প্রার্থী মো. মাকসুদ আলী, নাইজেরিয়ার ন্যাশনাল টিচার্স ইন্সটিটিউটের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. জয়নব মুহাম্মদ শুয়াইবু।

আয়োজক কমিটির পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন এটুআই-এর এডুকেশন টেকনোলজি এক্সপার্ট রফিকুল ইসলাম।

‘শিক্ষক: সংকটে নেতৃত্ব, নতুন করে ভবিষ্যতের ভাবনা’ শিরোনামে ৬ মাসব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানের এটি ছিলো প্রথম সেমিনার। প্রায় ২১টি সেমিনার, ৫টি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ৬টি সাইড ইভেন্টের সমন্বয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান আগামী বছরের ১৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

এজেড/ অক্টোবর ১৬/২০২০/১১০৭

*

*

আরও পড়ুন