Techno Header Top

হাইটেক পার্কে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের হাইটেক পার্কে বিনিয়োগসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে  যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ ও তুরস্ক।

বুধবার বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। 

সভায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে তার দেশের অংশগ্রহণের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাথে তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ জানান।

মত বিনিময় সভায় তুর্কি প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কতৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম ।

সভায় প্রতিমন্ত্রী পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতির চিত্র এবং ক্রমবিকাশমান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দুই দেশের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে ৩৫৫ একর জমিতে বিভিন্ন কোম্পানি কাজ করছে। এখান থেকে উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। মাত্র চার বছরে হাইটেক পার্কগুলোতে দেশি-বিদেশি বিনেয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ এসেছে। সম্প্রতি ওরিক্স বায়োটেক লিমিটেড নামীয় একটি চীনা জায়ান্ট বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি,  কালিয়াকৈরে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত অর্থনৈতিকভাবে অমিত সম্ভাবনাময়ী দুই দেশের একসাথে কাজ করার ব্যাপারে তাঁর দেশের প্রেসিডেন্টের আগ্রহের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় বাংলাদেশ-তুরস্ক কারিগরি ইনস্টিটিউট (বিটিটিআই) উদ্বোধনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাথে তাঁর দেশ আরও কাজ করতে চায়।

সভায় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম,  তুরস্ক সরকারের দাতা সংস্থা টার্কিশ কো-অপারেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন এজেন্সির বাংলাদেশের সমন্বয়ক ড. ইসমাইল গুনদৌদু উপস্থিত ছিলেন।

সভায় হোসনে আরা বেগম বলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সারাদেশে ৩৯টি হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং আইটি ট্রেনিং কাম ইনকিউবেটর স্থাপন করছে। এর মধ্যে পাঁচটি পার্কে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুর্ণোদ্যমে চলছে। সামস্যাং, নকিয়া, ওয়ালটনসহ আরও বেশ কিছু কোম্পানি কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১০০ টিরও বেশি সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং বায়োটেক কোম্পানি দেশজুড়ে অবস্থিত হাইটেক পার্কগুলোতে ভূমি ও স্পেস বরাদ্দ নিয়েছে এবং কিছু কোম্পানি উৎপাদন ও বিপনন শুরু করেছে। হাইটেক পার্ক ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে তাৎক্ষণিক বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে।

এডি/২০২০/অক্টোবর১৪/১৬২০

*

*

আরও পড়ুন