দ্বিতীয় টেলিনর ইয়ুথ সামিটের বাংলাদেশ অধ্যায় শুরুর ঘোষণা

gp-youthsummit-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা ‘টেলিনর ইয়ুথ সামিট-২০১৪’ এর বাংলাদেশ অধ্যায় শুরু হবে চলতি মাসে। এ দেশে টেলিনরের মালিকানাধীন কোম্পানি গ্রামীণফোন বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাও হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগীতা শুরুর ঘোষণা দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটরটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সংক্রান্ত উদ্ভাবনী পরিকল্পনার এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তালিকা চলতি মাসেই প্রস্তুত করা হবে। এরপর নির্বাচিতদের নিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরু হবে মূল প্রতিযেগিতা।

পরের ধাপে এ প্রতিযোগিতার সেরা চারটি দলকে নিয়ে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে গ্র্যান্ড ফাইনাল। আর চ্যাম্পিয়ন দল ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে যাবে নরওয়ের অসলোতে। সেখানে বিশ্বের অন্য দেশের প্রতিযোগিদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে তারা।

আরও পড়ুন : কোটি ছাড়াল গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের ইন্টারনেট গ্রাহক

gp-youthsummit-techshohor

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজয়ীরা অসলোতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ছাড়াও নোবেল পুরষ্কার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তারা মিলিত হতে পারবেন বিশ্বের সেরা পন্ডিত ব্যাক্তিবর্গের সাথে।

গ্রামীণফোন জানিয়েছে, প্রতিযোগীতাটিতে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সংক্রান্ত উদ্ভাবনী পরিকল্পনা পরিবেশনার আহবান জানানো হয়েছে। এই প্রতিযোগীতা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার শীর্ষক ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ শ্লোগানে টেলিনরের কার্যক্রমের একটি অংশ।

বিশ্বের ১৪টি দেশে এ প্রতিযোগীতার কার্যক্রম চালাচ্ছে টেলিনর।

গ্রামীনফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার কাজী মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, প্রতিযোগিদের কাছ থেকে নতুন এমন কোনো উদ্ভাবন আশা করা হচ্ছে, যা সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতাটির প্রথম আসরে বিজয়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ বিভাগের সাফা তাসনিম এবং সামি তাসনিম।

সাফা তাসনিম তার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, এটি তরুণদের জন্য অনেক বড় একটি সুযোগ। আমরা দুইজন একটি গ্রুপ ছিলাম। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে আমাদের গাইডলাইন দেবার পাশাপাশি প্রশিক্ষকও নিযুক্ত করে দেওয়া হয়। তাছাড়া নরওয়েতে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও ছিলো আমাদের জন্য অনেক বড় একটি শিক্ষা। সেখানে আমরা উইকিপিডিয়া, মজিলা ফায়রফক্স ইত্যাদি টেক জায়ান্টদের সাথে মিলিত হতে পেরেছি। এই অভিজ্ঞতা আমাদের পরবর্তী কাজে উৎসাহ জোগাবে।

সামি তাসনিম বলেন, বিজয়ী হিসেবে আমাদের কাজটি ছিলো, যে কোনো বিপদে পড়লে সাধারণ মানুষ যেন প্রয়োজনীয় কতৃপক্ষকে তা জানাতে পারে এবং যথাযথ সাহায্য নিয়ে বিপদমুক্ত হতে পারে। আর এর মাধ্যমটি ছিলো ভয়েস এসএমএস।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীনফোনের পিপল অ্যান্ড অরগানাইজেশনের পরিচালক সৈয়দ তানভির হোসেন এবং গ্রামীনফোনের কর্পোরেট কমিউনিকেশনের প্রধান তাহমিদ আজিজুল হকসহ আরও অনেকে।

-ফখরুদ্দিন মেহেদী

আরও পড়ুন

সিমের দাম বাড়াল গ্রামীণফোন

ইমাজিন কাপে তিন বিভাগে লড়বে বাংলাদেশ

*

*

আরও পড়ুন