মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সচিবদের নিয়ে ই-নথি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এবং ইউএনডিপি’র সহায়তায় পরিচালিত অ্যাস্পায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রামের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের ২৪ জন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিবদের নিয়ে ‘ই-নথি বিষয়ক কর্মশালা’ আয়োজন করেছে।

অনলাইন প্লাটফর্মে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে ও এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান পরিচালনায় কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব ও এটুআইয়ের যুগ্ম-প্রকল্প পরিচালক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান এবং এটুআই-এর ন্যাশনাল কনসালটেন্ট মিজ নিলুফা ইয়াসমিন।

Techshohor Youtube

উদ্বোধনীতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে কর্মকর্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা ও সক্ষমতার উপর। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের দক্ষ নেতৃত্বে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ আজ প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশনের কারণে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সুপরিকল্পিত নীতির মাধ্যমে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি কর্মকর্তারা নিজেদেরকে তৈরি করতে পারলে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে এবং সকল কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট কোর্সটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং কাজকে অনেক সহজ করে দিতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, সরকারের ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ই-নথি এখন সারাবিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। ২০১২ সালে ই-সার্ভিস কার্যক্রম শুরু হলেও সে সময় ইনফ্রাস্ট্রাকচার ততটা উন্নত ছিল না। কিন্তু বর্তমানে ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির ফলে ই-নথির কার্যক্রম প্রসারিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ই-নথি থেকে এর তৃতীয় সংস্করণে ডিজিটাল নথি’তে রূপান্তর কারার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স’সহ নানা ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে এবং নথির নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি আরো সুদৃঢ় করা হবে। বর্তমানে ই-নথি ৮ হাজারের অধিক অফিসে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও খুব দ্রুত ৪৫ হাজার সরকারি অফিসে ই-নথি কার্যক্রম প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্মশালায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য সার-সংক্ষেপ, ই-সাইন, ই-নথির নতুন সংযোজিত বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং ই-নথির নতুন ভার্সন সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

ইএইচ/ সেপ্টে০৬/২০২০/১৪৫৫

আরও পড়ুন –

ডিজিটাল নথিতে লাল ফিতার দৌরাত্ম এখন জাদুঘরে : পলক

গুজবে কান দেবেন না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুদান

‘মাই গভ’ অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

*

*

আরও পড়ুন