মাইগভ প্লাটফর্মের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ৩৮ সেবা ডিজিটাল

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সরকারের মাইগভ প্ল্যাটফর্মের আওতায় র‍্যাপিড ডিজিটাইজেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৩৮টি সেবা ডিজিটাইজেশনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনা‌ইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালভাবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

এটুআইয়ের চিফ টেকনোলজি অফিসার মোহাম্মদ আরফে এলাহী ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এ মাইগভের আওতায় র‍্যাপিড ডিজিটাইজেশন কার্যক্রম সম্পর্কিত’ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এখন থেকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সেবাগ্রহীতারা নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্তকরণ, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা প্রাপ্তি, মুক্তিযোদ্ধা সনদের তথ্য সংশোধন’সহ প্রায় সকল বিষয়ে অত্যন্ত সহজে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবার আবেদন, সেবা সংশ্লিষ্ট পেমেন্ট, সেবার অগ্রগতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম সেবাগ্রহীতা ৫টি এক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে (মাইগভ ওয়েব, মাইগভ অ্যাপ, ৩৩৩, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে) সম্পাদন করতে পারবেন।

এটি শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রার পথে এক যুগান্তকারী মাইলফলক। রুপান্তিত ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সেবা গ্রহীতারা একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম থেকে জানতে পারবেন কোথায়/কিভাবে/কখন সংশ্লিষ্ট পরিষেবা পাওয়া যাবে। এর ফলে সেবাগ্রহীতা ও প্রদানকারী উভয়ের সময় ও অর্থের অপচয় কমে আসবে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, মাইগভ প্লাটফর্মে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রথম মন্ত্রণালয় হিসেবে কার্যক্রম শুরুর সম্মান অর্জন করায় আমরা আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন ২০০৮ সালে তারই সুফল আমরা এখন পাচ্ছি। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং কষ্ট করে আর সেবার জন্য ঘুরতে হবে না। 

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনা‌ইদ আহমেদ পলক সব জায়গায় প্রযুক্তির উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে দুর্নীতি দূর হবে এবং সেবার মান বাড়বে।

তিনি বলেন, ইতিপূর্বে সব মন্ত্রণালয় মিলে প্রায় ১৭৮টি সেবা ডিজিটাল হয়েছে। আজকে একটি মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ৩৮টি সেবা যুক্ত হতে চলেছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ৬০০ সার্ভিস ডিজিটালাইজ হয়েছে। আরও ২ হাজার ২০০ সেবা আমরা ২০২১ সালের মধ্যে চালু করতে চাই। 

‘মাইগভ’-এর মাধ্যমে কোন নতুন সফটওয়্যার তৈরি ছাড়াই মাত্র এক মাসে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৩৮টি সেবা ডিজিটাল সেবায় রূপান্তর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান, যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব (ই-গভর্নেন্স) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব দেওয়ান মো: আব্দুস সামাদ, এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরীসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, এটুআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

ইএইচ/আগস্ট২৮/১২০৩

আরও পড়ুন – 

‘মাই গভ’ অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সিসিএর ডিজিটাল স্বাক্ষর এখন বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য হবে

বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ভাবক ও উৎপাদক : পলক

*

*

আরও পড়ুন