বৈরুত বিস্ফোরণকে ঘিরে গুজব ছড়াচ্ছে টুইটারে

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বিস্ফরোণস্থল। ছবি : ইন্টারনেট
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ১০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে ৪ হাজারের বেশি মানুষ।

কিভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন। তিনি বলেন, ৬ বছর ধরে বন্দরের কাছে একটি গুদামে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত ছিল। সেখান থেকেই এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে দ্বিমতকারীরা বলছেন, এটা পারমানবিক বোমা হামলা।

বন্দরের কাছাকাছি একটি জায়গায় আগুন লাগায় অনেকেই ধোঁয়া ওড়ার দৃশ্যটি ভিডিও করছিলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিশাল আগুনের গোলা পুরো বৈরুত কাপিয়ে দেয়। এরপর ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে মাশরুমের মতো আকার ধারণ করে। এতে অনেকেরই ধারণা হয়, এটি ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো পারমানবিক বোমা হামলা।

টুইটারে এক ব্যবহারকারী লেখেন, ওহ খোদা, লেবানিজ মিডিয়া বলছে এটা আতশবাজির কারখানায় ঘটেছে। না, এটা মাশরুম ক্লাউড। পারমানবিক হামলা।

পরে অবশ্য এই টুইট ডিলিট করা হয়। তবে ডিলিটের আগে ঝড়ের গতিতে টুইটটি রিশেয়ার হয়।

এ বিষয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) শিক্ষক ভিপিন নারাং টুইটে জানান, পারমানবিক অস্ত্র নিয়ে তিনি গবেষণা করেন। এটা কোনো পারমানবিক হামলা নয়।

ইউনিভার্সিটি অব নিউ ম্যাক্সিকোতে ‘হিউম্যান হিস্ট্রি অব নিউক্লিয়ার উইপেন’ বিষয়ে পিএইচডি করছেন মার্টিন ফেইফার। তার মতে, এটা ক্যামিকেল বা বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থ থেকে সৃষ্ট আগুন। পারমানবিক হামলা হলে আলোর ঝলকানি দেখা যেতো। অত্যধিক তাপে মানুষের ত্বক গুরতরভাবে পুড়ে যেতো।

এছাড়া, শহরটিতে রেডিও অ্যাক্টিভ রেডিয়েশন ছড়ানোর খবরও পাওয়া যায়নি। রেডিয়েশন ছড়ালে তা খুব সহজেই ধরা পড়তো।

মঙ্গলবার বিকালে বিস্ফোরণের পর বৈরুতের বন্দর এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এখন পর্যন্ত বহু মানুষকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে এজেড/ আগস্ট ০৫/২০২০/১৭৪৫

*

*

আরও পড়ুন